Article By – সুনন্দা সেন

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পাইকারি মূল্য সূচক বা WPI (Wholesale Price Index) মুদ্রাস্ফীতি ০.৮৫%-এ নেমে এসেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি, যার মধ্যে প্রাথমিক পণ্য গোষ্ঠীর ‘খাদ্য সামগ্রী’ এবং উৎপাদিত পণ্য গোষ্ঠীর ‘খাদ্য সামগ্রী’ অন্তর্ভুক্ত থাকে। যা মার্চ মাসের ৪.৬৬% থেকে কমে এপ্রিল মাসে ২.৫৫% হয়েছে। এপ্রিল মাসে মুদ্রাস্ফীতির ইতিবাচক হার মূলত খাদ্যপণ্য, অন্যান্য উৎপাদন, রাসায়নিক ও রাসায়নিক পণ্য, অন্যান্য পরিবহন সরঞ্জামের উৎপাদন এবং যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের উৎপাদন ইত্যাদির দাম বৃদ্ধির কারণে এসেছে।
উৎপাদিত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ২.৬২% বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং প্রাথমিক পণ্যের মূল্যস্ফীতি তুলনামূলকভাবে ২.১৮% এবং ১.৪৪% হ্রাস পেয়েছে। ভারতের খুচরা মূল্যস্ফীতি এপ্রিল মাসে ৬৯ মাসের সর্বনিম্ন ৩.১৬%-এ নেমে এসেছে। যা মার্চ মাসে ছিল ৩.৩৪%। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চারটি প্রান্তিকের জন্য রিজার্ভ ব্যাংকের MPC প্রথম প্রান্তিকে মুদ্রাস্ফীতি ৩.৬%, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩.৯%, তৃতীয় প্রান্তিকে ৩.৮% এবং চতুর্থ প্রান্তিকে ৪.৪% থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে। অবশ্য MPC উল্লেখ করেছেন যে খাদ্যপণ্যের দামে ব্যাপক পতনের ফলে মুদ্রাস্ফীতি বর্তমানে লক্ষ্য মাত্রার নীচে রয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে প্রকাশিত ২০২৪-২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে অনুমান করা হয়েছিল যে ২০২৫ অর্থবছরের (25FY) শেষ প্রান্তিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে। তবে প্রতিবেদনে সতর্কতার সাথে আরও বলা হয়েছে যে বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা ভারতের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। দুর্বল রুপির মূল্য, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা,মুদ্রাস্ফীতির অস্থিরতা এবং বিদেশী বিনিয়োগ হ্রাসের মতো বিষয়গুলি এখনও মূল সামষ্টিক অর্থনৈতিক (Macro economic) চ্যালেঞ্জ।




