Article By – সুনন্দা সেন

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরে অ্যাপল ভারতে iphone উৎপাদন সর্বকালের সর্বোচ্চ নিয়ে গেছে। যার মূল্য ২২ বিলিয়ন ডলার। আর এটি কোম্পানির বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল কৌশলে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। আর এই পদক্ষেপ চীনের থেকে নির্ভরতা কমানো এবং সেই জায়গায় ভারতে আরও অধিক মাত্রায় উৎপাদন ত্বরান্বিত করার প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে। প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে আইফোন উৎপাদন আগের বছরের তুুলনায় প্রায় ৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এখন বিশ্বব্যাপী মোট আইফোন প্রস্তুতের প্রায় ২০%-এর জন্য দায়ী। ভারত প্রোডাকশন, লিঙ্কড ইনসেনটিভ বা PLI স্কিমের কারণে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ভারতের IT এবং ইলেকট্রনিক্স মিনিস্ট্রি অশ্বিনী বৈষ্ণব প্রকাশ করেছেন যে অ্যাপল ২০২৫ সালের মার্চ মাসে শেষ হওয়া অর্থবছরে ভারতে ১.৫ ট্রিলিয়ন রূপী (প্রায় ১৭.৪ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের iphone (আইফোন) রপ্তানি করেছে। বর্তমানে কোম্পানিটি ভারতে তিনটি আইফোন অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট পরিচালনা করছে। যার মধ্যে দুটি তামিলনাড়ুু এবং একটি কর্ণাটকে অবস্থিত। ফক্সকন তামিলনাড়ুর একটি প্ল্যান্ট পরিচালনা করে। আর বাকি দুটি টাটা গ্রুপ দ্বারা পরিচালিত হয়। অন্যদিকে ব্লুমবার্গ উল্লেখ করেছে যে অ্যাপল চীন, জাপান এবং তাইওয়ানের সরবরাহকারীদের ভারতের উৎপাদন কার্যক্রম প্রতিষ্ঠার জন্য সক্রিয়ভাবে উৎসাহিত করছে।
অ্যাপল ভারতে তৈরী আইফোনগুলিতে স্থানীয় সামগ্রীর ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে যখন অ্যাপল ভারতে উৎপাদন শুরু করে, তখন বিভিন্ন মডেলের যন্ত্রাংশের মাত্র ৫% থেকে ৮% পর্যন্ত স্থানীয় উৎস থেকে সংগ্রহ করা হত। ব্লুমবার্গের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, এই সংখ্যা এখন প্রায় ২০%-এ উন্নীত হয়েছে। আর ভারত সানওয়াডা (ব্যাটারি প্যাক), ফক্সলিংক (কেবল) এবং অ্যাক্যুস (এনক্লোজার)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রস্তুতকারকরা ইতিমধ্যেই উৎপাদন শুরু করে দিয়েছে। অ্যাপল প্রাথমিকভাবে ভারতে বেস আইফোন ১৫ ভেরিয়েন্ট অ্যাসেম্বল বা একত্রিত করার উপর মনোনিবেশ করলেও এখন তারা আরও প্রিমিয়াম আইফোন ১৬ প্রো মডেলগুলিও একত্রিত করা শুরু করেছে।




