বিশ্বের বৃহত্তম চাল রপ্তানিকারক দেশ ভারত। তবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দেশ চাল Exports নিষিদ্ধ করে। কিন্তু পরে কিছু চালের Exports শুরু হয় তবে সীমিত পরিমাণের সাথে। কিন্তু শর্ত আরোপের পর নন- বাসমতি চালের Exports পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবার শোনা যাচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীন দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য নন-বাসমতি রাইস Exports নিষিদ্ধ হওয়ার ঠিক একবছর পর আবার শুরু হতে পারে Exports। জানা যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে মন্ত্রীদের দল বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
২০২৩ সালের আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে ভারত মোট ২২.২ মিলিয়ন টন চাল রপ্তানি করেছিল। যার মধ্যে ১৭.৮৬ মিলিয়ন টন ছিল নন-বাসমতি রাইস। আর তার অংশীদার ছিল ভারতের প্রধান চাল উৎপাদনকারী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ। নিষেধাজ্ঞার পর যখন বেশ কিছু শর্তের উপর নির্ভর করে চাল Exports শুরু হয় তখন চাল রপ্তানিতে পতন দেখতে পাওয়া যায়। সরকারি তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাঁপুর, কাতার, ইরাক এবং জিবুতি- তে চাল রপ্তানি করেছে। তবে রপ্তানির পরিমাণ কমে ১৫.৭ মিলিয়ন টনে পৌঁছেছে।
এবার দেশের রপ্তানিকারকরা বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রালয়ের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেছে, নূন্যতম Exports মূল্যে যেনো নন-বাসমতি রাইস রপ্তানি করার অনুমতি পায় এবং সিদ্ধ চালে (Parboiled rice)- এর উপর শুল্ক সরকার যেনো প্রত্যাহার করে। এই প্রস্তাবের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, ধানের ফসলের মূল্যায়ন এবং দুই বছরের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত বাফার স্টকের উপর নির্ভর করে সীদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Article By – সুনন্দা সেন






