স্যাটেলাইট ইন্টারনেট রেসে সকলকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে গেলেন ভারত ও এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি Mukesh Ambani। Reliance Industries-এর জিও প্ল্যাটফর্ম এবং লুক্সেমবার্গ-ভিত্তিক কোম্পানি এসইএস-এর যৌথ উদ্যোগ দেশে গিগাবিট ফাইবার ইন্টারনেট সরবরাহ করার জন্য স্যাটেলাইট পরিচালনার অনুমোদন পেয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুসারে, একজন সরকারী কর্মকর্তা জানান, মহাকাশ নিয়ন্ত্রক এই সংস্থাগুলির যৌথ উদ্যোগে অরবিট কানেক্ট ইন্ডিয়াকে ভারতের মহাকাশে স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্য অনুমোদন দিয়েছে। অরবিট কানেক্ট ইন্ডিয়াকে তিন ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেফ বেজোসের অ্যামাজন ডটকম থেকে ইলন মাস্কের স্টারলিঙ্কের মতো সংস্থাগুলি ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা শুরু করার জন্য সবুজ সংকেতের জন্য অপেক্ষা করছে। এরই মধ্যে অনুমোদনগুলি পেয়েছে অরবিট কানেক্ট ইন্ডিয়া।
স্যাটেলাইট-ভিত্তিক উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানের জন্য অরবিট কানেক্ট ইন্ডিয়াকে এপ্রিল এবং জুন মাসে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার (IN-SPACE) কোম্পানিকে এই অনুমতি দিয়েছে। তবে, এর মাধ্যমে কোম্পানিটি ভারতের আকাশে স্যাটেলাইট পরিচালনা করতে পারলেও, টেলিযোগাযোগ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া অপারেশন শুরু করতে পারবে না।
সরকারি প্রকল্পের কোর্স
IN-SPACE-এর চেয়ারম্যান পবন গোয়েঙ্কা রয়টার্সকে জানান, Inmarsat নামক আরেকটি কোম্পানি ভারতে স্যাটেলাইট পরিচালনার অনুমোদন পেয়েছে। Elon Musk-এর স্টারলিঙ্ক এবং অ্যামাজনের কুইপার নামে আরও দুটি সংস্থাও এর জন্য আবেদন করেছে। ইউটেলস্যাটের ভারতী এন্টারপ্রাইজ-বিনিয়োগ করা সংস্থা ওয়ানওয়েবকে গত বছরের শেষের দিকে সমস্ত প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। Deloitte-এর মতে, ভারতের স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবার বাজার আগামী পাঁচ বছরে বার্ষিক 36 শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং 2030 সালের মধ্যে $1.9 বিলিয়নে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকাগুলিকে বিশ্বব্যাপী মহাকাশ-ভিত্তিক ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করার প্রতিযোগিতা তীব্র থেকে আরও তীব্রতর হচ্ছে। অ্যামাজনের কুইপার 2019 সালে 10 বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। ওই বছরই স্পেসএক্স তার প্রথম অপারেশনাল স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট স্থাপন করা শুরু করে।

গত সপ্তাহে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার জন্য স্টারলিংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। গোয়েঙ্কা জানান, ভারতে যত বেশি কোম্পানি এই সেক্টরে যুক্ত হবে, গ্রাহকদের জন্য তত ভালো হবে। তিনি জানান যে, ভারতে যোগাযোগ পরিষেবা অন্যান্য দেশের তুলনায় সস্তা। তাই গ্লোবাল কোম্পানিগুলোকে তাদের দাম কমাতে নতুনত্বের আশ্রয় নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, শীঘ্রই বেসরকারী সংস্থাগুলিকে গ্রাউন্ড স্টেশনগুলি পরিচালনা করার জন্য অনুমোদন দেবে IN-SPACE।
Article By – আস্তিক ঘোষ




