একটা সময় ছিল যখন দেশে বিস্কুটের কথা ভাবলেই শুধু ‘পারলে-জি’ মনে আসত। কিন্তু, এর পরেই আসেন বল্লভ প্রসাদ আগরওয়াল। তিনি সবকিছু পরিবর্তন করেছেন। আগরওয়াল 1982 সালে প্রিয়া গোল্ড বিস্কুট প্রতিষ্ঠা করেন। প্রিয়া গোল্ড বিস্কুট দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। আজ প্রিয়া গোল্ড দেশের অন্যতম বড় বিস্কুট কোম্পানি। তবে এর নামের পেছনেও রয়েছে একটি মজার গল্প।
তিন ছেলে থাকা সত্ত্বেও বল্লভ প্রসাদ আগরওয়াল কেন কোম্পানির নাম ‘প্রিয়া গোল্ড’ রাখলেন? প্রিয়া গোল্ড সূর্য ফুড অ্যান্ড এগ্রো লিমিটেড কোম্পানির একটি ব্র্যান্ড। ‘প্রিয়া’ মানে সবার প্রিয় এবং ‘গোল্ড’ মানে খাঁটি এবং গুণমানের দিক থেকে নিখুঁত। কোম্পানির মালিকরা এই মানদণ্ডে তাদের পণ্য পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি ব্র্যান্ডের নাম দিয়েছেন প্রিয়া গোল্ড।
বল্লভ প্রসাদ আগরওয়াল এবং তার তিন ছেলে প্রিয়া গোল্ড ব্র্যান্ড শুরু করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার ছেলেদের নাম মনোজ কুমার আগরওয়াল, নবীন কুমার আগরওয়াল এবং শেখর আগরওয়াল। বল্লভ প্রসাদ আগরওয়াল দীর্ঘদিন ধরে একটি বিস্কুট ব্র্যান্ড শুরু করতে চেয়েছিলেন। 1991 সালে তিনি কলকাতা থেকে নয়ডায় চলে যান।

তিনি ব্যাঙ্ক থেকে 25 লাখ টাকা লোন নিয়ে প্রিয়া গোল্ড শুরু করেছিলেন। 1995 সালে, কোম্পানিটি বাটার বাইট বিস্কুট চালু করে। চমৎকার মানের কারণে খুব শীঘ্রই এটি বাজারে আধিপত্য অর্জন করে। কোম্পানী গ্রেটার নয়ডা, সুরাত এবং লখনউতে তার কারখানা সম্প্রসারিত করেছে। এটি প্রিয়া গোল্ডকে একটি জাতীয় ব্র্যান্ডে পরিণত করেছে।
আপনি কী টাকা সঞ্চয় করতে পছন্দ করেন? কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোথায় বিনিয়োগ করে সবচেয়ে বেশি লাভ পাবেন? আর কোনও চিন্তা নেই। আপনাদের সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছি আমরা। বাংলায় এই প্রথম বিনিয়োগ শেখার এত বড় সুযোগ। আজই নিন আমাদের Government Scheme Course।

******



