Article By – সুনন্দা সেন

নভেম্বরে দেশের খুচরা মূল্যস্ফীতি বা CPI ইনফ্লেশন সামান্য বেড়ে ০.৭১%-এ পৌঁছেছে, যা অক্টোবরে ছিল ০.২৫%। তিন মাস ধরেই মুদ্রাস্ফীতি রিজার্ভ ব্যাংকের নির্ধারিত ২%-৬% লক্ষ্যসীমার নীচে রয়েছে, ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতি এখনো স্বস্তিদায়ক বলেই বিশেষজ্ঞদের মত। নতুন তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে শহরাঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৪০% এবং অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতি ০.১০%- এ পৌঁছেছে। যেখানে গ্রামাঞ্চলে অক্টোবরের মুদ্রাস্ফীতি সামান্য ডিফ্লেশন বা পতনের মুখে ছিল।
খাদ্যদ্রব্যের দাম এখনও গড়ে কমছে, তবে আগের তুলনায় মূল্যপতনের গতি কমেছে। ফলে সামগ্রিক CPI-তে একটি হালকা ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। তবে, খাদ্যশ্রেণির সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি এখনও -৩.৯১%- এ অর্থাৎ খাদ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কম। যদিও অক্টোবরে যে হারে কমছিল, তার থেকে নভেম্বরের তুলনামুলক বেশি ছিল। ফলে বাজারে খাদ্যদ্রব্যের দাম সামান্য চাপ তৈরি করলেও, সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি এখনো অত্যন্ত নিম্নমুখী।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই হালকা ঊর্ধ্বগতি উদ্বেগের নয়। বরং মুদ্রাস্ফীতির এমন নিম্নস্তর রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াকে ভবিষ্যতে সুদহার কমানোর কিছু সুযোগ করে দিতে পারে, বিশেষত যদি বৃদ্ধির গতি বজায় থাকে এবং খাদ্যদাম নিয়ন্ত্রণে থাকে। অবশ্যসামগ্রিকভাবে নভেম্বরের CPI তথ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভারতের ভোক্তা বাজার এখনও স্থিতিশীল, খাদ্যের দাম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে এবং নীতি নির্ধারকদের জন্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।




