এবার থেকে ভারতে বিক্রি হওয়া প্যাকেটজাত খাবারের আইটেমগুলিতে চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে বড় এবং মোটা অক্ষরে। প্যাকেটজাত খাবার সম্পর্কে গ্রাহকদের সঠিক তথ্য দিতে এমনই সিদ্ধান্ত নিল খাদ্য সামগ্রীর মান নির্ধারণকারী সংস্থা FSSAI। বর্তমানে খাবারের আইটেমের প্যাকেটে এই সকল তথ্য ছোট আকারে ছাপা হয়।
আবার অনেক খাদ্য সামগ্রীতে এই তথ্য সহজে চোখে পড়ে না। তাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে FSSAI। বিস্কুট, নমকিন, প্যাকড জুস-এর মতো অনেক খাদ্যদ্রব্য এবার এই সিদ্ধান্তের আওতায় আসবে। ফুড অথরিটির 44তম বৈঠকে প্যাকেটজাত খাবারের লেবেল সংক্রান্ত আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। খাদ্য নিয়ন্ত্রক FSSAI চেয়ারম্যান এবং স্বাস্থ্য সচিব অপূর্ব চন্দ্রের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সিদ্ধান্তে কোনও খাবারে কতটা চিনি আছে বা কতটা নুন বা চর্বি আছে, তা মানুষ সহজেই জানতে পারবে। তবে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের থেকে পরামর্শ নিয়ে এবং তাতে আপত্তি রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিতে সক্ষম হবে সাধারণ মানুষ।
ভোক্তার কাছে প্যাকেটজাত খাবার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য থাকলে কোন খাবার খাওয়া উচিত বা অনুচিত তা বুঝতে পারবেন উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগীরা। সরকারের এই সিদ্ধান্ত রোগ মোকাবিলায় অনেকটাই সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। FSSAI ইতিমধ্যেই ‘হেলথ ড্রিংক’ শব্দটি বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ই-কমার্স ওয়েবসাইটকে।
100 শতাংশ ফলের রসের মাত্রা হিসেবে উল্লেখ করা ফলের রসের বিজ্ঞাপনগুলিকে অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ফুড বিজনেস অপারেটরদের। যদি প্রতি কেজি ফলের রসে 15 গ্রামের বেশি রসে মিষ্টান্ন যোগ করা হয়, তবে সেই পণ্যটিকে “সুইট জুস” হিসাবে লেবেল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Article By – আস্তিক ঘোষ






