Article By – আস্তিক ঘোষ

ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ার প্রভাব বাড়তেই সমস্যায় পড়েছে স্বাস্থ্য বিমা সংস্থাগুলি। অতিরিক্ত স্বাস্থ্য বিমার দায়িত্ব বর্তাচ্ছে বিমা কোম্পানিগুলির উপর। বিমা কোম্পানিগুলির কাছে এখনও পর্যন্ত যে সমস্ত স্বাস্থ্য বীমার জন্য দাবি করা হয়েছে, তার এক তৃতীয়াংশই মৌসুমী সংক্রামক রোগের কারণে। এর মধ্যে রয়েছে ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়ার মতো মশা বাহিত রোগ। জুলাই এবং অগাস্ট মাসে মশার কামড়ের ফলে সৃষ্ট ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া সহ বিভিন্ন রোগের জন্য বীমা দাবি করা হয়েছে স্বাস্থ্য বিমা কোম্পানিগুলির কাছে।
ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া ছাড়াও, দূষিত জলের জন্য পেটের রোগের শিকার হয়ে স্বাস্থ্য বিমার দাবিও বেড়েছে। শুধু তাই নয় , শীতকালে ব্রঙ্কাইটিস বা ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে অনেক রোগ সরাসরি নোংরা আবর্জনা বা ময়লার জন্য হয়ে থাকে। অর্থাৎ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে এই ধরনের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বীমার দাবি না করলেও চলে। কিন্তু পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই রোগে আক্রান্ত সমাজের প্রতিটি অংশ।
পলিসিবাজারের স্বাস্থ্য বিমা দাবি সমীক্ষা অনুসারে, বিমার জন্য দাবিগুলির মধ্যে 15 শতাংশ ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগগুলি মৌসুমী রোগের জন্য। এসব রোগের চিকিৎসায় সাধারণত 50,000 থেকে 1,50,000 টাকা খরচ হয়। জুলাই এবং অগাস্ট মাসে এই রোগ সম্পর্কিত স্বাস্থ্য বীমা দাবি বৃদ্ধি পায়। কারণ বর্ষাকাল মশার বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ সময়। এসব ছাড়াও বর্ষাকালে গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস অর্থাৎ পেটের রোগে ভোগার সংখ্যা নেহাত কম নয়। এই রোগের চিকিৎসার খরচ ম্যালেরিয়ার মতোই। বিমা কোম্পানিগুলির কাছে দাবি করা বীমার 18 শতাংশ এইসব রোগীদের। ঋতুগত অসুস্থতার দাবির 10 শতাংশের জন্য অ্যালার্জি দায়ী।
শীতকালে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং ব্রঙ্কাইটিসের কারণে বীমা জন্য দাবির পরিমাণ যথাক্রমে 20 শতাংশ এবং 12 শতাংশে পৌঁছায়। তবে তাদের চিকিৎসায় খরচ হয় 25 হাজার থেকে 1 লাখ টাকা। উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনায় উন্নত দেশগুলিতে মৌসুমি রোগের পরিমাণ অনেক কম। ভারতের ক্ষেত্রে এমনকি গুরুগ্রামের মতো দেশের উন্নত এলাকায়ও জলা জমে মশার প্রজননের মত সমস্যা রয়েছে। যার কারনে মশা বাহিত রোগগুলি বৃদ্ধি পায়।





