Article By – সুনন্দা সেন

ভারত সরকার দ্বারা প্রকাশিত সর্বশেষ অর্থনৈতিক রিপোর্টে জানানো হযেছে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও বাণিজ্যিক উত্তেজনার মাঝেও ভারতের অর্থনীতি বর্তমানে মজবুত ও স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। রিপোর্টে এর সাথে আরও বলা হয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা, কমতে থাকা মুদ্রাস্ফীতি এবং নীতি-স্থিতিশীলতা মিলিয়ে আগামী মাসগুলোতেও দেশের অর্থনৈতিক গতি উর্ধ্বমুখীতা বজায় রাখতে সক্ষম থাকবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে কমছে, যার সরাসরি প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর পড়ছে। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল স্তরে থাকায় ক্রেতাদের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অর্থনীতিতে বড় অবদান রেখেছে।
এছাড়া রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে মূল্য সন্তুলানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সম্প্রতি করছাড় ও উন্নত সরবরাহ ব্যবস্থা। যা উৎসব ও শীতের মরশুমের খরচ বাড়াতে সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাহিদার ক্ষেত্রেও দৃঢ় ইতিবাচক ইঙ্গিত রয়েছে। পরিষেবা খাত, নির্মাণ-পরিকাঠামো, নগরভিত্তিক খরচসহ সকল ক্ষেত্রেই স্থিতিশীল বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে চাপ থাকলেও দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার অর্থনীতিতে ইতিবাচকতা ধরে রাখতে সাহায্য করছে। আর আশা করা হচ্ছে যে নিয়ন্ত্রিত মুদ্রাস্ফীতি, চাহিদার স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা আগামী মাসে ভারতের প্রবৃদ্ধিকে আরও দৃঢ় করতে পারে।
রপ্তানির ক্ষেত্রে রিপোর্টে স্বীকার করা হয়েছে যে বিশ্বের অর্থনীতি ধীর হওয়ায় এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। সাথে আবারও উল্লেখ করা হয়েছে যে ভারত এখন নতুন মার্কেটে প্রবেশ করছে। আর সেই উদ্দেশ্যে এশিয়া, আফ্রিকা ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি বাড়ানোর প্রচেষ্টা করছে। যা ভারতের আগামী দিনে রপ্তানি ভিত্তি আরও বিস্তৃত করবে। আর বিনিয়োগেও ধীরে ধীরে গতি বাড়ছে। সরকারি অবকাঠামো ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি শিল্পক্ষেত্রেও নতুন বিনিয়োগের ইঙ্গিত মিলছে। এর ফলে মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যপূরণ সম্ভব বলে রিপোর্টে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।




