Article By – সুনন্দা সেন

আজ (৯সেপ্টেম্বর, ২০২৫) ভারতীয় রুপির দাম বৃদ্ধির সাথে লেনদেন শুরু করে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে ৮৭.৯৪- এ পৌঁছায়। যারপর ২সেপ্টেম্বরের পর প্রথমবারের মতো ৮৮ টাকায় নীচে নেমে আসে। ভারতের উপর সম্ভাব্য মার্কিন শুল্ক নিয়ে উদ্বেগের কারণে দেশীয় মুদ্রা তার বৃদ্ধির পথ থেকে সরে আসে বলে জানা যাচ্ছে। ৫ সেপ্টেম্বর রুপী প্রথমবারের মতো ৮৮.২৬- এ নেমে আসে। যা লক্ষ্য করা যায় সেপ্টেম্বরের ২ তারিখের ভারতীয় রুপী ৮৮.১৫-এর স্তরে নেমে আসে, যা তার আগের ৮৮.০৯-এর স্তর থেকে বেশি ছিল। অবশ্য গতকাল মহারাষ্ট্রে সরকারি ছুটি থাকায় ফরেক্স মার্কেট বন্ধ ছিল, অর্থাৎ রুপীর লেনদেন সপ্তাহের প্রথমদিন হয়নি।
আজ ডলার ইন্ডেক্স ০.০৫% কমে ৯৭.৪০-এ দাঁড়িয়েছে। এই মুহুর্তে বিশ্বব্যাপী মার্কেটগুলি ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলা FOMC সভায় ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা করছে। কিছু জন আবার ৫০ বেসিস পয়েন্টেরও বেশি হ্রাসের প্রত্যাশা করছেন। আর বিশ্বব্যাপী ডলারের দুর্বলতার কারণে রুপী গতী পেয়েছিল বলে আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা। এই দুই কারণে রুপীর কারণে দাম বেড়েছিল। তারপরে ডলারের দাম কম থাকা সত্ত্বেও রুপীর দাম কমেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা এবং ভারত-নির্দিষ্ট উদ্বেগের মধ্যে রুপি এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রা হিসেবে রয়ে গেছে আজও।
বলেছেন সিআর ফরেক্স অ্যাডভাইজার্সের এমডি অমিত পাবারি, “যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যের নমনীয়তা এবং সম্ভাব্য ফেড নীতি পরিবর্তন রুপিকে কিছুটা সমর্থন করতে পারে। কিন্তু অন্যদিকে ভারতের বাণিজ্য ও শুল্ক প্রতিবন্ধকতা যেকোনো পুনরুদ্ধারকে সীমাবদ্ধ করতে পারে, ঊর্ধ্বমুখী ঝুঁকি অক্ষুণ্ণ রেখে।” এছাড়া বাজারে অংশগ্রহণকারীদের ১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হতে যাওয়া আগস্ট মাসের মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির তথ্য (CPI) এর দিকেও নজর রাখছেন। যা ডলারের দিকনির্দেশনাকে আরও প্রভাবিত করতে পারে। এদিকে, হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারোর মন্তব্য হলো, ভারতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য আলোচনায় আসতে হবে, অন্যথায় ঝুঁকিপূর্ণ ফলাফলের ঝুঁকি নিতে হবে।




