Article By – সুনন্দা সেন

৩১ জানুয়ারি, ২০২৫-এ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা ইঙ্গিত দেয় যে ভোক্তা মূল্য সূচক বা CFPI অনুসারে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ৭.৫% থেকে চলতি বছরের এই পর্যন্ত বেড়ে ৮.৪%-এ পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধি মূলত মুষ্ঠিমেয় খাদ্যপণ্য এবং শাক-সবজির কারণে হয়েছে। ভারতের খুচরা (Retail) মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বর পর্যন্ত গড়ে ৫.৪% ছিল। যা RBI-এর উচ্চ সহনশীলতার স্তরের মধ্যে থাকলেও ৪%-এর বেশী ছিল। আর তা হয়েছে পেঁয়াজ, টমেটো এবং ডালের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য সরবরাহ ব্যহত হওয়ার কারণে।
বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পেয়েছে। জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি ৩.৪%-এ নেমে এসেছে। যা ২০২৩ সালে ৬.৫% ছিল। অন্যদিকে ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতির হার দুর্বল চাহিদা এবং এনার্জি প্রাইসের কারণে ২.৯%-এ নেমে এসেছে। এরপরেও বিশ্বব্যাপী ঝুঁকি রয়ে গেছে। এছাড়া ভারতের জন্য বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম হ্রাস কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। বিশেষ করে অপরিশোধিত তেলের দাম গড়ে ৮২ ডলার প্রতি ব্যারেলে দাঁড়িয়েছিল। যা ২০২৩ সালে ৯৫ ডলার ছিল।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, ভারতের মুদ্রাস্ফীতির গতিপথ একটি মিশ্র বা মিক্সড চিত্র উপস্থাপন করছে। যদিও সামগ্রিক ভাবে CPI মুদ্রাস্ফীতি আগামী অর্থবছর বা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪.৫%-এ নেমে আসবে বল আশা করা হচ্ছে। তবে জলবায়ু সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যহত হওয়ার কারণে খাদ্যের দাম একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনশীল বিষয় হিসাবে রয়ে গেছে। সমীক্ষায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে যদি বিশ্বব্যাপী তেলের দাম স্থিতিশীল থাকে এবং দেশীয় খাদ্য (Domestic Food) সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী হয়। তাহলে মুদ্রাস্ফীতির চাল আরও কমতে পারে।




