Article By – সুনন্দা সেন

ভারতে রুপোর চাহিদা শক্তিশালী থাকলেও ২০২৬ সালের মে মাসে রুপোর আমদানি বার্ষিক ভিত্তিতে প্রায় ৮৭% কমে মাত্র ৭৫.৫৭ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। যা গত তিন বছরের বেশি সময়ের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন আমদানির ইঙ্গিত দেয়। এমনকি পরিমাণের দিক থেকেও আমদানি ৯৪% কমে মাত্র ৩৩ মেট্রিকটনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আবার সরবরাহ সীমিত হওয়ায় দেশীয় বাজারে রুপোর প্রিমিয়াম ও দাম বাড়ার চাপ তৈরি হয়েছে।
দেশে রুপো আমদানিতে ঘাটতির প্রধান কারণ হলো ভারত সরকার দ্বারা সম্প্রতি প্রায় সকল প্রকার রুপো আমদানির উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং আমদানি শুল্ক ৬% থেকে বাড়িয়ে ১৫% করা। এর ফলে বিদেশ থেকে রুপো আনা আগের থেকে অনেক বেশি ব্যয়বহুল ও কঠিন হয়ে উঠেছে। তবে আশ্চর্যের বিষয়, বাজারে রুপোর চাহিদা কমেনি। সৌরশক্তি, ইলেকট্রনিক্স, গয়না শিল্প এবং বিনিয়োগের জন্য রুপোর ব্যবহার এখনও শক্তিশালী রয়েছে। বিশেষ করে সিলভার ETF-এ বিনিয়োগ বাড়ায় বিনিয়োগ-চাহিদা আরও বেড়েছে।
অর্থনীতির দৃষ্টিতে দেখলে, কম আমদানির ফলে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি (Trade Deficit) কিছুটা কমতে পারে এবং রুপির উপর চাপও হ্রাস পেতে পারে। তবে অন্যদিকে, শিল্প ও গয়না নির্মাতাদের জন্য কাঁচামালের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ভারতের মতো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রুপো আমদানিকারক দেশের চাহিদা কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও রুপোর দামের উপর নিম্নমুখী চাপ পড়তে পারে।




