Article By – সুনন্দা সেন

আজ অর্থাৎ বুধবার (১৪আগস্ট, ২০২৪)- এ প্রকাশিত সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, টানা চার মাস বৃদ্ধি দেখার পর অবশেষে স্বস্তি। জুলাই মাসে পাইকারি মূল্যস্ফীতি ২.০৮%- এ নেমে এসেছে। তথ্য বলছে পাইকারি মূল্য সূচক বা WPI (Wholesale Price Index)- এর মুদ্রাস্ফীতির হার জুন মাসে ৩.৩৬% এবং মে মাসে ২.৬১% ছিল। কেবল মাসের ভিত্তিতে নয় বছরের ভিত্তিতেও সর্বনিম্নস্তরে পৌঁছেছে পাইকারি মূল্যস্ফীতির হার। কারণ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে WPI- এর মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৪.১৮%।
ডিপার্টমেন্ট ফর প্রমোশন অফ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড বা DPIIT সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X- এ রিপোর্ট করে জানিয়েছে, “ বার্ষিক WPI মূল্যস্ফীতির হার ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ২.০৪% হয়েছে। যা ২০২৪ সালের জুনের ৩.৩৬% থেকে কম”। তারা আরও জানিয়েছে WPI মূল্যস্ফীতির এই পতন জুলাই মাসের খুচরা মূল্যস্ফীতির তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আবার জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (NSO) দ্বারা প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, প্রাথমিক ভাবে উচ্চ ভিত্তি প্রভাবের কারণে খুচরা মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ে ৫৯- মাসের সর্বনিম্ন স্তর ৩.৫৪%- এ নেমে এসেছে।
WPI বাজারে খুচরা লেনদেনের ক্ষেত্রে অর্জিত এবং প্রবর্তিত মূল্যকে নির্দেশ করে। যার দ্বারা অনেক পরিমাণ দ্রব্য স্বল্প মূল্যে পাওয়া যায়। আর সেই মূল্য বেড়ে যাওয়ায় বাজারের নিট মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায়। আয় WPI- এর বাস্কেটের তিনটি প্রধান গ্রুপ হল প্রাথমিক প্রবন্ধ (Primary Articles), জ্বালানি ও শক্তি (Fuel and Power) এবং উৎপাদিত পণ্য (Manufactured Products)। এছাড়া ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুচরা মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য নবমবারের জন্য রেপোরেট স্ফির রেখেছে ৬.৫০%- এ।
DPIIT- এর তথ্যানুসারে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে প্রাথমিক নিবন্ধি (primary Article)- গুলির জন্য বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার ৩.০৮% হয়েছে। যা জুন মাসে ৮.৮০% থেকে অনেকটা কমেছে। আবার জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১.৭২% হয়েছে। যা জুন মাসে ছিল ১.০৩%। উৎপাদিত পণ্যের মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ১.৫৮% হয়েছে। যা জুন মাসের ১.৪৩% থেকে অনেকটা বেশি।





