Article By – আস্তিক ঘোষ

2036 সাল নাগাদ দেশে প্রতি 1000 পুরুষ পিছু মহিলার সংখ্যা হবে 952 জন। অন্তত সরকারি রিপোর্ট তাই বলছে। 2011 সালের হিসেবে অনুযায়ী প্রতি এক হাজার পুরুষ পিছু 943 জন মহিলা ছিল। একই সঙ্গে আগামী 12 বছরে অর্থাৎ 2036 সালের মধ্যে দেশে কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে 65 শতাংশে। 2011 সালে এই সংখ্যা ছিল 60.7 শতাংশ। সম্প্রতি ‘ওমেন অ্যান্ড মেন ইন ইন্ডিয়া 2023’ নামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মিনিস্ট্র অফ স্ট্যাটিসটিক্স অ্যান্ড প্রোগাম ইমপ্লিমেনটেশন। সেই প্রতিবেদনেই 2011 সালের জনসংখ্যার তুলনায় 2036 সালে ভারতের জনসংখ্যায় মহিলাদের সংখ্যা বেশি থাকার সম্ভাবনার উল্লেখ করা হয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে আশা করা হচ্ছে, 2036 সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা 152.2 কোটিতে পৌঁছবে। তার মধ্যে মহিলাদের শতকরা হার 2011 সালের 48.5 শতাংশের তুলনায় কিছুটা বেড়ে 48.8 শতাংশে দাঁড়াবে বলে জানানো হয়েছে৷ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভবত প্রজনন হার হ্রাসের কারণে 15 বছরের কম বয়সী মানুষের অনুপাত 2011 থেকে 2036 সাল পর্যন্ত হ্রাস পাবে।
এই সময়ের মধ্যে 60 বছর বা তার বেশি বয়সী জনসংখ্যার অনুপাত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এটা স্পষ্ট যে, 2016 থেকে 2020 সাল পর্যন্ত 20 থেকে 24 বছর বয়সীদের বয়সের নিরিখে মহিলাদের প্রজনন হার ছিল 135.4। বর্তমানে তা নেমে এসেছে 113.6 তে। অন্যদিকে, একই সময়ে 25 থেকে 29 বছর বয়সী মহিলাদের বয়সের নিরিখে মহিলাদের প্রজনন হার ছিল 166.0। কিন্তু এখন তা নেমে এসেছে 139.6-এ। 35-39 বছর বয়সী মহিলাদের বয়সের নিরিখে মহিলাদের প্রজনন সময়ের জন্য 32.7 থেকে 35.6 এ বেড়েছে। অর্থাৎ জীবনের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে পরিবার পরিকল্পনার পথে হাঁটছেন মহিলারা।
2020 সালে নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিশু জন্মের হার ছিল 33.9 এবং শিক্ষিত জনসংখ্যার মধ্যে 11.0 ছিল। যারা শিক্ষিত নন কিন্তু সামাজিকভাবে সচেতন তাদের ক্ষেত্রেও এই হার খুবই কম। প্রতিবেদন অনুযায়ী শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে। গত কয়েক বছরে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের শিশুমৃত্যুর হার যথেষ্ট কমে গিয়েছে।
স্টার্টআপ শুরু করার ক্ষেত্রেও শক্তি প্রদর্শন করতে শুরু করেছেন মহিলারা। বর্তমানে মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত স্টার্টআপ সংস্থার সংখ্যা 55,816টি। এই সংখ্যা মোট স্বীকৃত স্টার্টআপের 47.6 শতাংশ।





