Article By – সুনন্দা সেন

আমেরিকার সরকার জানিয়েছে, প্রায় ২০.৬ বিলিয়ন ডলারের ট্যারিফ বা শুল্ক ফেরত দেওয়া হবে বিভিন্ন আমদানিকারক সংস্থাকে। এই সিদ্ধান্ত এসেছে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই ও বাণিজ্য নীতির পুনর্বিবেচনার পর। মূলত আগের কয়েক বছরে বিশেষ করে চীনা পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, যার ফলে বহু আমদানিকারক অতিরিক্ত খরচের মুখে পড়েছিল। এখন সেই অর্থের একটি বড় অংশ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। আর সম্প্রতি ভারতের উপরও সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রিফান্ড আমেরিকার আমদানি-নির্ভর ব্যবসাগুলির জন্য বড় স্বস্তি এনে দিতে পারে। রিটেইল বাজার, ইলেকট্রনিক্স, শিল্প উৎপাদন এবং কাঁচামাল আমদানির সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলি সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে। এতে ব্যবসার খরচ কিছুটা কমবে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলেও চাপ কমতে পারে। অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমেরিকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কিছুটা নমনীয় অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে এটি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও পরোক্ষভাবে সাহায্য করতে পারে, কারণ আমদানির খরচ কমলে অনেক পণ্যের দামও স্থিতিশীল থাকতে পারে।
তবে সমালোচকদের মতে, এত বড় অঙ্কের অর্থ ফেরত দেওয়ায় সরকারের রাজস্বে চাপ তৈরি হতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আমেরিকার শুল্ক নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। বিশ্ববাজারেও এই ঘোষণার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে এশিয়ার রপ্তানিকারক দেশগুলি এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছে, কারণ এতে আমেরিকায় আমদানি চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।




