Article By – সুনন্দা সেন

দেশের বাজেট প্রস্তাবে মার্কিন আমদানির বিস্তৃত পরিসরের উপর শুল্ক হ্রাসের সীদ্ধান্ত হয়তো ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্ত করার জন্য যথেষ্ট হবে না। কারণ তিনি এখনও নতুন শুল্ক আরোপের জন্য প্রস্তুত, যা ভারতীয় রপ্তানির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে ভারত সরকার বাজেটে হোর্লে-ডেভিডসন মোটর সাইকেল, টেসলার গাড়ি এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি মার্কিন রপ্তানির উপর আরোপিত শুল্কের হার কমিয়েছে। যদিও এই শুল্ক হ্রাস আমেরিকান রপ্তানিকারকদের জন্য প্রবেশাধিকার উন্নত করতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলেছেন, ওয়াশিংটন এখনও ভারত থেকে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং ওষুধের উপর শুল্প আরোপ করতে পারে। কারণ ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫-৩৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে। অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই দিনের মার্কিন সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। যদিও নতুন মার্কিন বাণিজ্যের পদক্ষেপের দুশ্চিন্তা এই সবের মাঝে থেকেই যাচ্ছে। বাণিজ্য নীতি বিশেষজ্ঞের বলেন, ট্রাম্প এখনও কোনও ভারতীয় খাতকে লক্ষ্য করবেন তা নির্দিষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তবে অতীতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নেওয়া পদক্ষেপগুলি একটি বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আসন্ন সফরে ভারতের ট্রাম্পের সুরক্ষাবাদী নীতি অনুসরণ করার ক্ষমতা পরীক্ষা করবে এবং একই সাথে শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখবে। ২০২৩-২৪ সালে আমেরিকা ভারতে ৩ মিলিয়ন ডলার মূল্যের মোটর সাইকেল রপ্তানি করেছে। এই দেখে এবং মার্কিন বাণিজ্য উদ্বেগকে সরাসরি লক্ষ্য করে ভারত বড় ইঞ্জিনের মোটরসাইকেলের শুল্ক কমিয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত শুল্ক হ্রাসের মধ্যে রয়েছে ২.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন বর্জ্য এবং স্ক্র্যাপ উপকরণের উপর আরোপিত শুল্ক। যা ৫% থেকে কমিয়ে শূণ্যে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে ট্রাম্পকে তার বৃহত্তর সুরক্ষাবাদী প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে নতুন শুল্ক আরোপ থেকে বিরত রাখতে এগুলি যথেষ্ট নাও হতে পারে।




