buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Trump

দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে যখন কেন্দ্র এবং বিরোধী দল মুখোমুখি, USAID-এর তহবিল প্রদানের বিষয় ট্রাম্পের মন্তব্য বিতর্ক বয়ে আনছে

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

ভারতের ভোটারদের ভোটদানের জন্য USAID-এর ২১ মিলিয়ন ডলার তহবিল প্রদানের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এমনই দেশের নির্বাচনী পক্রিয়ায় বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে কেন্দ্র এবং বিরোধী দল মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এই সময় ভারতের অন্যতম সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে সঠিক সময়ের আগে ট্রাম্প এই অবস্থায় কাজটি সম্পন্ন করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন। যা ভারতের অভ্যন্তরীণ অবস্থার জন্য ঠিক নয়। DOGE-এর তালিকায় দুটি USAID অনুদানের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। যা CEPPS (Consortium for Election and Political Process Strengthening)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।

7 3

তবে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের হাতে আসা USAID-ফান্ডের রেকর্ড থেকে জানা যায় যে, ২০২২ সালে ভারত নয়, বাংলাদেশের জন্য অর্থ মঞ্জুর করা হয়েছিল। তথ্য যাচাইয়ে দেখা গেছে যে, এই ২১ মিলিয়ন ডলারের তহবিলের মধ্যে ১৩.৪ মিলিয়ন ডলার ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। তবে অন্যদিকে DOGE-এর মতে, CEPPS-এর VSAID থেকে মোট ৪৮৬ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা ছিল। যার মধ্যে ভারতের ভোটারদের জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার এবং মলদোভায় ইনক্লুসিভ ও পার্টিসিপেটরি পলিটিক্যাল প্রসেসের জন্য ২২ মিলিয়ন ডলার অন্তর্ভুক্ত ছিল।  আর মলদোভার জন্য তহবিল ১৬ সেপ্টেম্বর CPPS-কে প্রদান করা হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত তাদেরকে ২২ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ১৩.২ মিলিয়ন ডলার তহবিল বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে ২১ মিলিয়ন ডলার ভারতের নয় বাংলাদেশের ভোটারদের জন্য ছিল। আর এমন দাবির পেছনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। যেমন ধরুন,

  1. ২০০৮ সাল থেকে ভারতে USAID-এর অর্থায়ন দ্বারা পরিচালিত কোনো CEPPS প্রকল্প নেই। আর এই মুহুর্তে CEPPS-কে দেওয়া USAID-এর একমাত্র অনুদান হল ২১ মিলিয়ন ডলার। যা ২০২২ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ‘আমার ভোট আমার (My vote is Mine)’ নামে একটি প্রকল্পের জন্য ছিল। কারণ তা ফেডারেল অ্যাওয়ার্ড নম্বর 72038822LA00001 হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকল্পটির পরে নাগরিক প্রকল্প নামে নামকরণ করা হয়।
  1. ঢাকায় মার্কিন সফরে থাকাকালীন VSIAD-এর উপদেষ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন যে ২১ মিলিয়ন ডলারের অনুদান নাগরিক প্রকল্পের জন্য, যা তিনি পরিচালনা করবে।
  1. ২০২৪ সালের মাইক্রো গভর্নেন্স রিসার্চের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক আইনুল পৃথক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একই বার্তা পোস্ট করে দিলেন। আর তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে “নাগরিক প্রোগ্রাম IFEB এবং VSAID-এর সমর্থন এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।”
BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading