Article By – সুনন্দা সেন

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে সমস্যায় পড়েছে ভারতের বাসমতি চাল ইন্ডাস্ট্রি। অতিরিক্ত শিপিং চার্জ এবং অনিশ্চিত পরিবহন পরিস্থিতির কারণে রপ্তানিকারীরা এবার সরারসি ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। বাসমতি চাল রপ্তানিকারীদের সংগঠন জানিয়েছে, বর্তমানে ওয়ার-রিস্ক সারচার্জ বা যুদ্ধজনিত অতিরিক্ত খরচ প্রতি কন্টেনারে ৮০০ থেকে ৮,০০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। অনেক ক্ষেত্রে এই চার্জ আগাম জানানো হয়নি, এমনকি পণ্য পাঠানোর পরেও তা বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ আগে যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল, তা এখন অনেক ক্ষেত্রে কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
রপ্তানিকারীরা অভিযোগ করেছেন যে শিপিং কোম্পানিগুলো একতরফাভাবে পণ্য অন্য বন্দরে ঘুরিয়ে দিচ্ছে, যেমন দুবাইয়ের জেবেল আলি, ওমানের সোহার বা সালালাহ বন্দে। এর ফলে কন্টেনার আটকে যাচ্ছে, ডেলিভারিতে দেরি হচ্ছে এবং অতিরিক্ত খরচের পুরো বোঝা বহন করতে হচ্ছে রপ্তানিকারদেরই। এই পরিস্থিতিতে ছোট ও মাঝারি রপ্তানিকারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচ এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে, কিছু ব্যবসায়ী তাদের রিলিজ করে দিতেও বাধ্য হচ্ছেন।
পশ্চিম এশিয়া ভারতের বাসমতি চালের সবচেয়ে বড় বাজার গুলির মধ্যে একটি। এই অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় শুধু শিপিং খরচই বাড়ছে না, বরং লজিস্টিক ডিসরাপশন (ব্যাঘাত), বীমা খরচ বৃদ্ধি এবং পণ্য আটকে পড়ার সমস্যাও বাড়ছে। এই প্রেক্ষিতে রপ্তানিকারীদের সংগঠন সরকারে কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছেদের সংগঠন সরকারের কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে –
- সরকার যাতে শিপিং চার্জের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনে।
- পরিষ্কার বা ক্লিন গাইডলাইন যাতে তৈরি করে।
- রপ্তানিকারীদের অযৌক্তি খরচ (Unreasonable Spending) থেকে সুরক্ষা প্রদান করা।




