Article By – সুনন্দা সেন

২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট ঘিরে গোল্ড ইন্ডাস্ট্রি ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞ ও জুয়েলারি ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে প্রধান দাবি হল, সোনার উপর কাস্টমস ডিউটির কাঠামো আরও সহজ করা এবং বর্তমানে থাকা একাধিক ডিউটি স্ল্যাব কমিয়ে আনা। শিল্প মহলের মতে, জটিল ট্যারিফ ব্যবস্থার কারণে সোনার দাম অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ছে। যা ভোক্তা চাহিদা ও বৈধ আমদানির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে সোনার আমদানিতে বেসিক কাস্টমস ডিউটি, এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেস-সহ একাধিক স্তরের কর রয়েছে। এর ফলে মোট করের বোঝা বেড়ে যায় এবং সাধারণ ক্রেতার জন্য সোনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।
বাজেট, ২০২৬-এ যদি ডিউটি স্ল্যাব কমিয়ে একটি সরল ও স্বচ্ছে কাঠামো আনা হয়, তাহলে সোনার দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে বলে,মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জুয়েলারি শিল্পের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, কম ডিউটি ও সহজ কাঠামো হলে চোরাচালান কমবে এবং বৈধ পথে আমদানি বাড়বে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ও দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি সংগঠিত জুয়েলারি ব্যবসা আরও শক্তিশালী হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিতেও বাজেটের এই সম্ভাব্য পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। সোনা শুধু অলঙ্কার নয়, বরং ভারতের পরিবারগুলির কাছে একটি নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যমে। কর কাঠামো সহজ হলে ডিজিটাল গোল্ড, গোল্ড ETF ও ফিজিক্যাল গোল্ড – সব ক্ষেত্রেই চাহিদা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ বলা চলে যে বাজেট, ২০২৬-এ সোনার উপর কাস্টমস ডিউটি স্ল্যাব কমানো ও ট্যারিফ কাঠামো সরল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা জুয়েলারি ইন্ডাস্ট্রি, বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ ক্রেতা-তিন পক্ষের কাছেই বড় স্বস্তি এনে দিতে পারে। এখন নজর থাকবে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘোষণার দিকে।




