Article By – সুনন্দা সেন

দুটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী সরবরাহকারী এবং বেসরকারি সংস্থাগুলির মধ্যে ঝুঁকি বা রিস্ক শেয়ারিং কনসার্ন সংক্রান্ত উদ্বেগ কমাতে ভারত প্ল্যান্ট অপারেটরদের ১,৫০০ কোটি টাকা বা ১৬৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি দুর্ঘটনা সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ কভার করার জন্য একটি নিউক্লিয়ার লাইবিলিটি ফান্ড গঠনের পরিকল্পনা করছে। এই পদক্ষেপটি ভারতের ক্ষতিপূরণ (India’s compensation) কাঠামোকে বৈশ্বিক নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে। পাশাপাশি নিউক্লিয়ার ইন্ডাস্ট্রির দীর্ঘস্থায়ী বেসরকারী এবং বিদেশী বিনিয়োগের সূচনা করার সম্ভাবনা বহন করে।
নতুন পারমানবিক শক্তি বিল (New Atomic Energy Bill)-এর প্রস্তাবিত এই সংবিধিবদ্ধ তহবিলটি বর্তমান অ্যাডহক পেমেন্ট সিস্টেম থেকে একটি পরিবর্তনের মাধ্যম। যা একজন অপারেটরের সীমাবদ্ধ দায়বদ্ধতার পরিপূরকও হতে পারে। আর একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ফান্ড দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারের অ্যাবিলিটিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করে। এছাড়া জানা যায় যে নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে বীমা কভারেজের জন্য ভারত এখন একটি পারমাণবিক বীমা বা পলিসি টুলের উপর নির্ভর করে। যা ২০১৫ সালে চালু হওয়া একটি নীতিগত হাতিয়ার, তবে এটি আইনে অন্তর্ভুক্ত নয়।
ভারতে নিউক্লিয়ার শক্তি প্রসারের কাজে ব্যস্ত রয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে নিউক্লিয়ার পাওয়ারের ক্ষমতা ১২ গুণ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা চলছে। এছাড়া সরকার কয়েক দশক ধরে চলে আসা রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া ক্ষমতা এবং কঠোর দায়বদ্ধতার বিধানের অবসান ঘটাতে নিয়ম শিথিল করছে। যাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ ফ্রি করা যায় এবং প্রযুক্তিক্ষেত্রে বিদেশী সরবরাহকারীদের আকৃষ্ট করা যায়। দক্ষিণ এশীয় দেশটির কিছু বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, যেমন টাটা পাওয়ার, আদানি পাওয়ার এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রস্তুত করা শুরু করেছে।




