Article By – সুনন্দা সেন

ভারত সরকার খুব শীঘ্রই গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনপুট আমদানির ওপর দেওয়া শুল্ক ছাড় বা Customs duty relief ৩০ জুন, ২০২৬-এর পরেও বাড়ানো হবে কিনা, সে বিষয়ে সীদ্ধান্ত নিতে চলেছে। কেন্দ্রের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে একটি আন্তঃমন্ত্রক কমিটি বৈঠকে বসে এই বিষয়ে আলোচনা করবে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং সরবরাহ ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক সাময়িকভাবে তুলে নিয়েছে।
পাশাপাশশি শুল্ক প্রত্যাহারে প্লাস্টিক, ওষুধ, টেক্সটাইল, রাসায়নিক এবং অটো কম্পোনেন্ট ইন্ডাস্ট্রিকে উৎপাদন খরচ কমাতে সাহায্য করছে। বর্তমানে সেই ছাড়ের মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা। শিল্পমহলের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম এখনও অস্থির থাকায় শুল্ক ছাড় আরও কয়েক মাস বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টিল, সিরামিক, ডায়মন্ড পলিসিং, পলিয়েস্টার টেক্সটাইল এবং বিশেষ রাসায়নিক ইন্ডাস্ট্রি অতিরিক্ত স্বস্তি চাইছে।
একই সঙ্গে সরকার এমন কিছু ইলেকট্রনিক পণ্য ও যন্ত্রাংশের ওপর নতুন আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাবও বিবেচনা করছে, যেগুলি এখন ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদিত হচ্ছে। এর লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়া এবং আমদানি নির্ভরতা কমানো। আবার অর্থনীতিবিদদের মতে, যদি শুল্ক ছাড় সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়, তাহলে শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে, মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমবে এবং রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানও শক্তিশালী হবে।
তবে এর ফলে সরকারের শুল্ক রাজস্বে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। আর গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো, ৩০ জুনের আগে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত শিল্প ও উৎপাদন খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। শুল্ক ছাড় বাড়লে বহু শিল্প খাতে খরচের চাপ কমবে, আর না বাড়লে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে।




