Article By – সুনন্দা সেন

আজ ইন্ডাসিন্ড ব্যাংকের শেয়ারের দাম ২৭%-এরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। কারণ কিছু নির্দিষ্ট পোর্টফোলিওতে অসঙ্গতির কারণে ব্যাংকটি তাদের নিট সম্পদের উপর ২.৪%-এর প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে বলে ঘোষণা করে। তারপরে স্টক মূল্যায়নে ব্যাংকটি বিশাল ক্ষতির সম্মুখীণ হওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকের মিউচ্যুয়াল ফান্ডের হোল্ডিংকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। Trendlyne.com-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কাছে সম্মিলিত ভাবে ইন্ডাসিন্ড ব্যাংকের ২২.৫৬ কোটিরও বেশি শেয়ার ছিল। আর MF হোল্ডিংগুলির মূল্য ছিল ২২,৩৩৯ কোটি টাকা। তবে তা প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।
ইন্ডাসিন্ড ব্যাংকের শেয়ার ধ্বসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে UTI নিফটি ৫০ এক্সচেঞ্জ ট্রেড ফান্ড (১২০ কোটি টাকার ক্ষতি), UTI ভ্যালু ফান্ড রেগুলার প্ল্যান গ্রোথ (৬৩.৪৬ কোটি টাকার ক্ষতি), UTI নিফটি ব্যাংক এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (৫২.৭০ কোটি টাকার ক্ষতি), বন্ধন ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ড গ্রোথ (৪৬.০৯ কোটি টাকার ক্ষতি) এবং UTI মিড ক্যাপ ফান্ড রেগুলার প্ল্যান গ্রোথ (৪৪.৩২ কোটি টাকার ক্ষতি)। Treadline.com-এর তথ্য অনুযায়ী, UTI মিউচ্যুয়াল ফান্ড হাউসের ১৫টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড স্কিমের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রায় ১.২৭ কোটি শেয়ার রয়েছে। ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগকারী অন্যান্য ফান্ড হাউসগুলির মধ্যে কোয়ান্ট, মতিলাল ওসওয়াল, LIC, সুন্দরম মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ একাধিক নাম রয়েছে।
মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ইন্ডাসইন্ড ব্যাংকে তাদের অংশীদারিত্ব বাড়িয়েছে। ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকের শেষে, মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলির ব্যাংকে ৩০.৩১% অংশীদারিত্ব ছিল, যা এক ত্রৈমাসিক আগে ২২.৭৩% ছিল। ২০২৪ সালের জুন ত্রৈমাসিকে ব্যাংকে তাদের অংশীদারিত্ব ছিল ১৯.৯৪%, ২০২৪ সালের মার্চ ত্রৈমাসিকে ১৭.৮২% এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ১৫.৬৩%। এদিকে মঙ্গলবার ব্যাংকের শেয়ার বিক্রির এই ঘটনা ঘটে ঋণদাতার অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার পরে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের নিট সম্পদের উপর কর-পরবর্তী ২.৩৫% প্রতিকূল প্রভাব পড়ার অনুমানের ফলে। RBI ব্যাংকগুলিকে তাদের বিনিয়োগ পোর্টফোলিওর পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়ার পরে এই প্রকাশ আসে।




