Article By – সুনন্দা সেন

দেশের শেয়ারবাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা সামনে এসেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের এই পর্যন্ত দেশীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলি মিলিয়ে প্রায় ৪,১০০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। বাজারের তথ্য অনুযায়ী, লাগাতার প্রায় তিন বছর ধরে নেট ক্রেতা থাকার পর প্রথমবার তারা নেট বিক্রেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই বিক্রির পেছনে আতঙ্ক নয়, বরং কৌশলগত পোর্টফোলিও সমন্বয়ই প্রধান কারণ। গত কয়েক বছরে ভারতীয় শেয়ারবাজারে শক্তিশালী র্যালির ফলে বহু শেয়ারের মূল্যায়ন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যার ফলে অনেক ফান্ড ম্যানেজার বর্তমানে লাভ তুলে নেওয়া, ঝুঁকি কমানো এবং ভবিষ্যতের জন্য নগদ সংরক্ষণ করার পথে হাঁটছেন।
বিশেষ করে লার্জ ক্যাপ ও দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া কিছু সেক্টরে লাভ বুকিং বেশি দেখা যাচ্ছে। বাজার যখন দীর্ঘসময় ধরে উর্ধ্বমুখী থাকে, তখন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সাধারণত ধাপে ধাপে বিক্রি করে লাভ সুরক্ষিত করেন। আর এটিই স্বাভাবিক বিনিয়োগ কৌশল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এর মধ্যেও ইতিবাচক দিক হল খুচরা বিনিয়োগকারীদের SIP প্রবাহ এখনও শক্তিশালী রয়েছে। অর্থাৎ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত বিনিয়োগ বাজারে তরল্য বজায় রাখছে। ফলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এই সেল অফ বাজার থেকে বড় অঙ্কের অর্থ বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত নয়, বরং সাময়িক পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে এর মধ্যেও ইতিবাচক দিক হল, খুচরা বিনিয়োগকারীদের SIP প্রবাহ এখনও শক্তিশালী রয়েছে। অর্থাৎ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত বিনিয়োগ বাজারে তারল্য বজায় রাখছে। ফলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এই বিক্রি বাজার থেকে বড় অঙ্কের অর্থ বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত নয়, বরং সাময়িক পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, বৈশ্বিক সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা, বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহের ওঠানামা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ— এই সব কারণেই ফান্ড ম্যানেজাররা এখন কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। ভবিষ্যতে বাজারে বড় সংশোধন এলে কম দামে শেয়ার কেনার সুযোগ তৈরি করতে এই নগদ সংরক্ষণ সহায়ক হতে পারে।




