Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের শেয়ারবাজারে বহু প্রতীক্ষিত জিও প্ল্যাটফর্ম (Jio Platforms-এর) প্রাথমিক পাবলিক অফারের পথে বড় অগ্রগতি হয়েছে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের ৪৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি ঘোষণা করেছেন, জিও প্ল্যাটফর্মসের বোর্ড IPO-র জন্য Draft Red Herring Prospectus (DRHP) অনুমোদন করেছে এবং সেটি আজই সেবির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
এই IPO-তে সর্বোচ্চ ২৭ কোটি নতুন ইক্যুইটি শেয়ার ইস্যু করা হবে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম IPO হতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই ইস্যুর মাধ্যমে প্রায় ৩ বিলিয়ন থেকে ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ আনুমানিক ২৭,৫০০ কোটি টাকা থেকে ৩৬,০০০ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্য রয়েছে। মুকেশ আম্বানি বলেন, জিওর তালিকাভুক্তি শুধু রিলায়েন্সের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মূল্য সৃষ্টি করবে না, বরং বিশ্বের সামনে প্রমাণ করবে যে ভারতও বিশ্বমানের প্রযুক্তি সংস্থা তৈরি করতে পারে।
তিনি আরও জানান, এই IPO প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছেন আকাশ আম্বানি, ঈশা আম্বানি এবং অনন্ত আম্বানি। IPO থেকে প্রাপ্ত অর্থের একটি বড় অংশ ব্যবহার করা হবে রিলায়েন্স জিও ইনফোকম (Reliance Jio Infocomm)-এর ঋণ কমানোর জন্য। বাকি অর্থ ব্যয় হবে কোম্পানির সাধারণ কর্পোরেট প্রয়োজন এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণে। এর ফলে জিওর আর্থিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে এবং AI, ক্লাউড, ডিজিটাল পরিষেবা ও নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে।
জিও IPO বাজারে এলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রথমবার ভারতের অন্যতম বৃহৎ ডিজিটাল ও টেলিকম সংস্থায় সরাসরি বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। তবে এখনই আবেদন করা যাবে না। সেবি (SEBI)-র অনুমোদনের পর কোম্পানি প্রাইস ব্যান্ড, লট সাইজ এবং IPO-র তারিখ ঘোষণা করবে। সেই সময় বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবেন।




