Article By – সুনন্দা সেন

ভারতীয় শেয়ারবাজারে শক্তিশালী উত্থানের ফলে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই বিনিয়োগকারীদের সম্পদ প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেনসেক্স এক সময় ৯০০ পয়েন্টেরও বেশি বৃদ্ধি পায় এবং BSE তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলির মোট বাজার মূলধন প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা লাফিয়ে বাড়ে। ব্যাংকিং, এভিয়েলন, পেইন্টস ও কনজিউমার খাতের শেয়ার এই উত্থানে বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়াও বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে ৪টি বড় কারণ। আর সেগুলি হল–
১. অপরিশোধিত তেলের দাম কমার আশা: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার ইঙ্গিত এবং অপরিশোধিত তেলের দামে সামান্য পতন বিনিয়োগকারীদের স্বস্তি দিয়েছে। ভারতের মতো তেল – আমদানি নির্ভর অর্থনীতির জন্য কম তেলের দাম ইতিবাচক।
২. দেশীয় বিনিয়োগকারীদের শক্তিশালী ক্রয়-বিক্রয়: মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বীমা সংস্থা ও অন্যান্য দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বা DII ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই ৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করেছে। এই ধারাবাহিক অর্থ প্রবাহ বাজারকে শক্ত ভিত দিয়েছে।
৩. সরকারের সহায়ক পদক্ষেপ: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং কিছু ক্ষতিগ্রস্ত খাতকে সহায়তা করতে সরকারের নতুন ক্রেডিট গ্যারান্টি প্রকল্প বাজারে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের শেয়ারে লেনদেন প্রবণতা বেড়েছে।
৪. অর্থনীতি ও কর্পোরেট আয়ের প্রতি আস্থা: দেশীয় চাহিদা, নিয়মিত SIP বিনিয়োগ এবং কর্পোরেট আয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ বাজারে বুলিশ মনোভাব তৈরি করেছে। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ থাকলেও দেশীয় অর্থের জোরে বাজার এগিয়ে।
অন্যদিকে আজ ভারতীয় শেয়ারবাজারে শক্তিশালী র্যালি দেখা গেছে। দুপুরের ট্রেডিংয়ে নিফটি ৫০ প্রায় ২৩,৩৬০–২৩,৪০০ পয়েন্টের মধ্যে লেনদেন করছে, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ০.৯% থেকে ১.০% বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, নিফটি ৫০ – এর ২৩,৪০০ পয়েন্টের স্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স জোন। এই স্তরের উপরে শক্তিশালী ক্লোজিং হলে শর্ট কভারিং বাড়তে পারে এবং নিফটি ২৩,৮০০-এর দিকে এগোতে পারে।




