Merger and acquisition অর্থাৎ একত্রীকরণ ও অধিগ্রহণ হল কোম্পানির অন্তর্গত একটি কার্যকলাপ। সহজ কথায় বললে যখন দুটি কোম্পানি একসঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্য পরিচালনা করা শুরু করে সেটাকেই merger ও acquisition বলে। এই কর্পোরেট অ্যাকশনটি নেওয়া হয় মূলত ভবিষ্যতে কোম্পানির বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং কিছু প্রতিযোগিতামূলক সুযোগ সুবিধা পেতে। এতে কোম্পানি নতুন মার্কেটে প্রবেশের সুযোগ পায় এবং অর্থনীতির দিক থেকে আরও শক্তিশালী হয়।
Merger & acquisition-এ দুটো কোম্পানি একত্রিত হয়। এবং তাদের মধ্যে মালিকানার হাতবদল হয় কখনও স্টক, কখনও নগদ বা কখনও উভয়ের মাধ্যমে। যেদিন কোম্পানিগুলি একত্রীকরণের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে সেইদিন কোম্পানিগুলিকে জানাতে হয়–
- Purchase price
- Compensation structure অর্থাৎ compensate বা ক্ষতিপূরণ কীভাবে করা হবে cash, নাকি stock নাকি উভয়ই
- Strategic rationale অর্থাৎ এই একত্রীকরণের কারণ।
ভারতে যে-কোনো কোম্পানির একত্রীকরণ ও অধিগ্রহণের আইনি দিকগুলি দেখে ২০১৩ সালের Companies Act। এবং এই ট্রানজ্যাকশনটি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি পর্যালোচনা করে। এইরকম corporate action-এর ক্ষেত্রে দুটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদেরই সম্মতির প্রয়োজন হয়। ডিলটি সম্পন্ন হতে অন্ততপক্ষে 75% শেয়ারহোল্ডারদের উপস্থিতি ও ভোট প্রয়োজন।
Merger and acquisition শেয়ারের দামে কী প্রভাব ফেলে?
(i) ডিল সম্পূর্ণ হওয়ার আগে শেয়ারের দামে ভোলাটিলিটি দেখা যায়। অর্থাৎ ঘোষণার দিন থেকে শুরু করে ডিল পুরো হওয়া পর্যন্ত এই অস্থিরতা চলে। এর মূল কারণ হল ডিলটি নিয়ে শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে অনিশ্চয়তা থাকে। বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিগুলির আর্থিক পরিস্থিতি, প্রতিযোগিতা ও সম্ভাব্য গ্রোথ সম্পর্কে নিশ্চিত থাকেন না। ফলে প্রাথমিকভাবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে speculation থেকে শেয়ারের দামে ওঠানামা দেখা যায়।
ঘোষণার সময় :
Target কোম্পানি: Merger ও acquisition-এর ঘোষণার পর target কোম্পানিটি অর্থাৎ যেটি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে সেটির শেয়ারের দাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেড়ে যায়। এর কারণ হল acquisition price সাধারণত current মার্কেট প্রাইস থেকে বেশি রাখা হয় যাতে শেয়ারহোল্ডাররা সেল করতে আগ্রহী হন।
Acquiring কোম্পানি: অন্যদিকে যে কোম্পানি অধিগ্রহণ করতে চলেছে তার দাম হয় বাড়ে না হয় কমে। যদি বিনিয়োগকারীরা মনে করেন এই অধিগ্রহণ ভবিষ্যতে ভালো ফল করবে তাহলে দাম বাড়ে আর অধিগ্রহণ সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব থাকলে বা এইরকম অধিগ্রহণকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলে acquiring কোম্পানির শেয়ারের দাম কমে।
ডিল পূর্ণ হওয়ার পর :
Target কোম্পানি: Target কোম্পানির সমস্ত শেয়ার delist হয়ে যায় এবং শেয়ারহোল্ডাররা acquiring কোম্পানির শেয়ার পান বা নগদ অর্থ পান ক্ষতিপূরণ হিসেবে।
Acquiring কোম্পানি: ডিল পূর্ণ হওয়ার পর অধিগ্রহণকারী কোম্পানির শেয়ারের দাম কেমন হবে তা নির্ভর করে কোম্পানিটি টার্গেট কোম্পানিকে কত ভালোভাবে অধিগ্রহণ করেছে তার ভিত্তিতে। শেয়ারের দাম সাধারণত বাড়ে যদি কোম্পানির আর্থিক ফলাফল ভালো হয় এবং বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা মতো অধিগ্রহণ হয়ে থাকে।





