Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত IPO-গুলোর মধ্যে অন্যতম ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ অফ ইন্ডিয়া বা NSE-এর ড্রাফট নথিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির বিষয় উঠে এসেছে, যা সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জন্য জানা জরুরি। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের একটি হল ১,৩৯১ কোটি টাকার প্রভিশন। যা মূলত অতীতের কিছু নিয়ন্ত্রক ও আইনি বিষয়ে সম্ভাব্য আর্থিক দায় মেটানোর জন্য সংরক্ষিত অর্থ। যদিও একটি ভবিষ্যতে নগদ বহিঃপ্রবাহের অনিশ্চয়তা নয়। তবুও এটি দেখায় যে সংস্থার কিছু পুরনো ইস্যু এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।
দ্বিতীয় বড় ঝুঁকি হল ডেরিভেটিভস ট্রেডিং থেকে আয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা। NSE-এর আয়ের বড় অংশই আসে ফিউচার ও অপশন (F&O) সেগমেন্ট থেকে। যদি ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডেরিভেটিভস ট্রেডিংয়ে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করে, অথবা ট্রেডিং ভলিউম কমে যায়, তাহলে এক্সচেঞ্জের রাজস্ব ও মুনাফার ওপর তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।
তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ভারতের শেয়ারবাজারে NSE এখনও শীর্ষস্থানীয় এক্সচেঞ্জ এবং ইক্যুইটি ও ডেরিভেটিভস; উভয় ক্ষেত্রেই তার শক্তিশালী বাজার দখল রয়েছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে বাজারের বৃদ্ধি থেকে সংস্থাটি লাভবান হওয়ার সুযোগও যথেষ্ট। আর বিনিয়োগকারীদের জন্য বার্তা হলো, শুধুমাত্র বাজারে NSE-এর আধিপত্য দেখে নয়। বরং IPO-তে আবেদন করার আগে সংস্থার আইনি দায়, নিয়ন্ত্রক ঝুঁকি এবং আয়ের উৎস কতটা বৈচিত্র্যময়। সাথে সেসব বিষয়ও ভালোভাবে বিবেচনা করা উচিত।




