Article By – সুনন্দা সেন

২০২৬ সালে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির (Public Sector Banks – PSBs) একত্রীকরণ প্রক্রিয়া নতুন গতি পেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে নীতি নির্ধারক ও ব্যাংকিং মহলে। আগের দফায় একাধিক বড় ব্যাংকের সংযুক্তিকরণের পর এবার সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও দক্ষ করে তুলতে নতুন পদক্ষেপ নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একত্রীকরণের মূল লক্ষ্য হলো ব্যাংকগুলির আর্থিক শক্তি বাড়ানো, পরিচালন দক্ষতা উন্নত করা এবং বৈশ্বিক স্তরে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।
বর্তমানে কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মূলধন পর্যাপ্ত হলেও ব্যবসার পরিসর তুলনামূলকভাবে ছোট। একত্রীকরণের মাধ্যমে এই ব্যাংকগুলি বৃহত্তর ব্যালান্স শিট ও শক্তিশালী মূলধন কাঠামো পেতে পারে। ২০২০ সালের বড় একত্রীকরণের পর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং বেশিরভাগ বড় ব্যাংকই এখন তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। NPA (খেলাপি ঋণ) পরিস্থিতির উন্নতি, লাভজনকতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে অগ্রগতি সহ উল্লেখিত বিষয়গুলি নতুন দফার একত্রীকরণের পক্ষে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
নীতিগত সূত্রের মতে, ২০২৬ সালে সম্ভাব্য ব্যাংকিংয়ে একত্রীকরণে ছোট ও মাঝারি আকারের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির ওপর বেশি জোর দেওয়া হতে পারে। উদ্দেশ্য হবে শক্তিশালী ব্যাংকের সঙ্গে তুলনামূলক দুর্বল বা সীমিত পরিসরের ব্যাংকগুলিকে যুক্ত করা, যাতে ঝুঁকি কমে এবং পরিষেবা মান উন্নত হয়। তবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও জড়িত। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, শাখা ও প্রযুক্তি একীভূতকরণ, সাংগঠনিক সংস্কৃতির সমন্বয়। আর এই বিষয়গুলি সঠিকভাবে পরিচালনা না হলে স্বল্পমেয়াদে সমস্যা তৈরি হতে পারে। ইউনিয়ন ও কর্মচারী সংগঠনগুলির উদ্বেগও সরকারকে বিবেচনায় রাখতে হবে।




