Article By – সুনন্দা সেন

সোমবার (১৭ মার্চ, ২০২৫) বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স (WPI) ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ২.৩৮%-এ দাঁড়িয়েছে। যার প্রধান কারণ হল জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং উৎপাদন খাতে উচ্চ ব্যয়। WPI মুদ্রাস্ফীতি জানুয়ারি মাসে ২.৩১% ছিল। যা থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ফুয়েল অ্যান্ড পাওয়ার ইনডেক্স ২.১২% বেড়ে ১৫২.৮ হয়েছে। যা জানুয়ারি মাসে ১৫০.৬ ছিল। বিদ্যুতের বা ইলেকট্রিকের প্রাইস ৪.২৮% এবং খনিজ তেলের দাম ১.৮৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।
ম্যানুফ্যাকচারিং (উৎপাদিত) পণ্যের সূচক ০.৪২% বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্যপণ্য, মৌলিক ধাতু (Raise metals), অধাতু খনিজ পণ্য এবং রাসায়নিকের উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। তবে খাদ্য পণ্য এবং উৎপাদিত খাদ্যপণ্যের অন্তর্ভুক্ত WPI ফুড ইনডেক্স জানুয়ারিতে কমে ৫.৯৪%-এ দাঁড়িয়েছিল। যা ফেব্রুয়ারিতে ৭.৪৭% হয়েছে। এটি সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ক্ষতি পূরণে সাহায্য করেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে মাসিক ভিত্তিতে WPI-তে পরিবর্তন ০.০৬% ছিল। জানুয়ারিতে ৮.৩৫% বৃদ্ধির তুলনায় সবজির মূল্যস্ফীতি বার্ষিক ভিত্তিতে ৫.৮০% সংকুচিত হয়েছে। জানুয়ারির ৫.০৮%-এর তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ডালের মূল্যস্ফীতির হার (-) ১.০৪% ছিল।
ফেব্রুয়ারির বৈঠকে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের মুদ্রানীতি কমিটি (MPC) উল্লেখ করেছে যে খাদ্যমূল্যের প্রতি অনুকূল দৃষ্টিভঙ্গির কারণে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পেয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে যে ২০২৫-২৬ (আগামী) অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতি আরও কমবে। যা ভারতীয় পরিবারগুলিকে স্বস্তি প্রদান করবে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে CPI মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৩.৬১%। যা ছয় মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো RBI-এর লক্ষমাত্রা ৪%-এর নীচে ছিল। এছাড়া নতুন গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে RBI ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য CPI হার ৪.১% অনুমান করছে। যা চলতি অর্থবছরের ৪.৫% থেকে কম।




