Article By – সুনন্দা সেন

রবিবার অর্থাৎ ১৩ অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্বব্যাংকের একটি নতুন প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে যে বিশ্বের ২৬টি দরিদ্রতম দেশের নাম। যারা ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বের ৪০% দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের আবাসস্থল। এই ২৬টি দেশের ঋণের বোঝা অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ অন্যান্য বিপর্যয়ের কারণে অর্থনৈতিক ঝুঁকি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে যে এই দেশগুলি ২০০৬ সাল থেকে সবচেয়ে দারিদ্র্যপীড়িত হলেও তাদের অর্থনীতি শোচনীয় হয়ে হয়ে পড়েছে কোভিড ১৯-এর পর থেকে। যেখানে বিশ্বের বাকি অংশের দেশগুলি লড়াই করে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে চরম দারিদ্রতায় পীড়িত দেশগুলির অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ হয়েছে। আর এই বিষয়টি বিশ্ব ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF-এর বৈঠকের আগে প্রকাশ পেয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা বা IDA জানিয়েছে যে, ২৬টি দারিদ্র দেশের অর্থায়ন তহবিল পুনরায় উদ্ধার করার জন্য বিশ্বব্যাংক ১০০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের প্রচেষ্টার উপর বিশেষ জোর দিতে চলেছে। কারণ দেশগুলি IDA-এর অনুদান এবং প্রায় শূন্যের কাছাকাছি সুদের হারের ঋণের উপর নির্ভর করছে বলেও জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
জানা যাচ্ছে যে ২৬ টি দারিদ্রতম দেশের মাথাপিছু বার্ষিক আয় ১,১৪৫ ডলারের কম। আর তাদের গড় ডেট টু GDP- এর অনুপাত ৭২%। আর এই দেশগুলির মধ্যে বেশির ভাগ দেশ সাব – সাহারন আফ্রিকার, ইথিওপিয়া থেকে চাদ এবং কঙ্গ পর্যন্ত। অন্যদিকে আবার আফগানিস্তান এবং ইয়েমেনও রয়েছে তালিকায়। বিশ্ব ব্যাংক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে দরিদ্রতম মোট ২৬টি দেশের দুই-তৃতীয়াংশ দেশের মধ্যে যুদ্ধের পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যার জন্য বিদেশী বিনিয়োগ বাঁধা পাচ্ছে এবং প্রায় সমস্ত রপ্তানি পণ্য বুম – অ্যান্ড – বাস্ট চক্রের মুখোমুখি হয়েছে।
IDA সাধারণত প্রতি তিন বছর অন্তর বিশ্ব ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডিং দেশগুলিকে সাহায্য করে থাকে। দুই পক্ষ মিলে ২০২১ সালে রেকর্ড ৯৩ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছিল। এবার বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা জানিয়েছেন যে, তারা ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪-এর মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারেও বেশি অর্থ সংগ্রহের প্রতিশ্রুতির লক্ষ্যে থাকবে।




