Article By – সুনন্দা সেন

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক বা RBI রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৬.২৫% করেছে। যা একটি বহুল প্রত্যাশিত পদক্ষেপ। হার কমানোর চেয়েও এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক কীভাবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করে, সেই দিকে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। RBI-এর অবস্থান ধীরে ধীরে বিকশিত হচ্ছে। এটি প্রথমে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে একটি নিরপেক্ষ নীতিতে স্থানান্তরিত হয়। তারপর ডিসেম্বরে ৫০ BPS ক্যাশ রিজার্ভ রেসিও বা CRR কমানো হয়। এছাড়াও RBI খোলা বাজার পরিচালনা বা OMO-এর মাধ্যমে ৬০,০০০ কোটি টাকার লিক্যুইডিটি ইনফিউশন করে। FII ইতিমধ্যেই ২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে। সুদের হার কমানোর পরে বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা আজ অর্থাৎ শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছেন, ভারতের বৈদেশীক মুদ্রার রিজার্ভ টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের জন্য বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তা ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে ৬৩০.৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। রিপোর্ট করা সপ্তাহে রিজার্ভ ১.১ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। যেখানে তার আগের সপ্তাহে ৫.৫৮ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাওয়ার পর হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার সম্পদের পরিবর্তনগুলি বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপের পাশাপাশি রিজার্ভ থাকা বিদেশী সম্পদের মূল্যবৃদ্ধি অবমূল্যায়নের কারণে ঘটে। আর বৈদেশী মুদ্রার রিজার্ভের মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে ভারতের রিজার্ভ ট্রেঞ্চ পজিশনও অন্তর্ভুক্ত।
রূপির অযৌক্তিক অস্থিরতা রোধের জন্য রিজার্ভ ব্যাংক ফরেক্স মার্কেটের উভয় দিকেই হস্তক্ষেপ করে। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সপ্তাহ মার্কিন ডলারের বিপরীতে রূপীর মূল্য ০.৯% কমে যায় এবং প্রতি ডলারের বিপরীতে রেকর্ড সর্বনিম্ন ৮৬.৬৫২৪-এ পৌঁছেছে। যা পোর্ট-ফোলিও বহির্গমন এবং মার্কিন বাণিজ্য শুল্কের অনিশ্চয়তার কারণে সাফার করছে। এছাড়া এও সত্যি যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা এবং দেশগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যকে ব্যাহত করতে পারে। এমন উদ্বেগের মধ্যে রূপী এবং অন্যান্য উদীয়মান বাজারের মুদ্রাগুলি চাপের মধ্যে রয়েছে।




