ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অনেকেই personal loan নিয়ে থাকেন। তবে লোন নেওয়ার আগে যে বিষয়টি দেখে ঋণগ্রহণকারী ব্যক্তি সিদ্ধান্ত নেন যে ঋণ নেবেন কিনা তা হল লোনের সুদের হার। ব্যক্তিগত ঋণের সুদের হারে প্রভাব ফেলে এমন বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টর আছে এবং অনেক ঋণগ্রহীতা সেই ফ্যাক্টরগুলির উপর নজর রাখেন। সেইরকমই একটি ফ্যাক্টর যা ব্যক্তিগত ঋণের সুদের হারের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে, তা হল RBI-এর repo rate।
রেপো রেট কী?
RBI অর্থাৎ Reserve Bank of India যে রেট বা হারে commercial অর্থাৎ বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ প্রদান করে তা repo rate বলে। RBI বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে কিছু জামানত যেমন সরকারি সিকিউরিটি-এর প্রেক্ষিতে লোন দিয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের Monetary Policy Committee বিভিন্ন আর্থিক ইন্ডিকেটর যাচাই করে repo বা repurchase rate নির্ধারণ করে। MPC অর্থাৎ Monetary Policy Committee-তে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নরকে নিয়ে মোট ৬ জন সদস্য থাকেন। মনিটারি পলিসির লক্ষ্যগুলি পূরণের জন্য এই কমিটি রেপো রেট পরিবর্তন করে থাকে।
৭ ফেব্রুয়ারি মনিটারি পলিসি সভায় ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে 6.25% করা হয়েছে।
ব্যক্তিগত লোনের সুদের হারের উপর রেপো রেটের প্রভাব
রেপো রেটের কোনোরকম পরিবর্তন লোনের সুদের হারে প্রভাব ফেলে এবং ব্যক্তিগত ঋণের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি খাটে। যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক repo rate বাড়ায়, তখন ব্যাংকগুলির ক্ষেত্রেও borrowing cost অর্থাৎ ঋণের খরচ বেড়ে যায়। সেই কারণে উচ্চ রেপো রেটের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ব্যাংকগুলিও নিজেদের ঋণগ্রহীতাদের ঋণের উপর সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে borrower অর্থাৎ যাঁরা ঋণ নেন তাঁদের জন্য ঋণ ব্যায়বহুল হয়ে যায় এবং অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়।
কিন্তু RBI যদি রেপো রেট কমিয়ে আনে, তখন ব্যাংকগুলিকে কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলি পরিশোধের পরিমাণ কমে যায় এবং এর ফলে গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও সুদের হার কমে যায়। এর কারণে তাঁরা স্বল্প সুদের হারে ব্যক্তিগত ঋণ নিতে পারেন। অর্থাৎ সহজ কথায় বললে ব্যক্তিগত ঋণ বহু ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে সস্তা হয়। তবে repo rate কতটা পরিবর্তন হলে ব্যক্তিগত ঋণ কতটুকু পরিবর্তন হবে, তা বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করছে, যেমন cost of deposit, ব্যাংকের অপারেটিং খরচ ইত্যাদি।
রেপো রেটের পরিবর্তন ব্যক্তিগত ঋণে প্রভাব ফেলে ঠিকই তবে তা কেবল floating interest rate-এর ক্ষেত্রেই। যদি কোনো ব্যক্তিগত ঋণ fixed বা স্থায়ী রেটে নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে repo rate পরিবর্তন হলেও কোনোরকম পরিবর্তন হবে না সুদের হারে। সেইজন্য নতুন ঋণগ্রহণকারী ব্যক্তি যাঁরা রয়েছেন তাঁদের জন্য রেপো রেটের পরিবর্তন নতুন ঋণগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে যাঁরা ইতিমধ্যে fixed rate of interest-এ ঋণ নিয়েছেন তাদের লোনের সম্পূর্ণ মেয়াদ পূর্ণ হওয়া অবধি একই সুদ দিতে হবে।
Floating rate of interest ঋণগ্রহীতাদের কাছে ব্যয়বহুল হতে পারে যদি ঋণ চলাকালীন সময়ে repo rate বেড়ে যায়। অন্যদিকে repo rate কমে গেলে floating rate কমে আসে।
EMI পেমেন্টের ক্ষেত্রে repo rate-এর প্রভাব:
আপনার প্রতি মাসের EMI পেমেন্ট কত হবে তা নির্ভর করছে পার্সোনাল লোনের সুদের হারের উপর। রেপো রেট কমে গেলে লোনের সুদের হার যদি কমে যায় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই EMI-এর পরিমাণও কমবে। আবার repo rate বেড়ে গেলে EMI-এর পরিমাণও বেড়ে যায় কারণ তখন আপনাকে বেশি পরিমাণে সুদ প্রদান করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে কেবলমাত্র যদি আপনি floating rate-এ ঋণ নিয়ে থাকেন তবেই সুদের হারে প্রভাব পড়বে, fixed rate-এ কোনো প্রভাব পড়বে না।ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অনেকেই personal loan নিয়ে থাকেন। তবে লোন নেওয়ার আগে যে বিষয়টি দেখে ঋণগ্রহণকারী ব্যক্তি সিদ্ধান্ত নেন যে ঋণ নেবেন কিনা তা হল লোনের সুদের হার। ব্যক্তিগত ঋণের সুদের হারে প্রভাব ফেলে এমন বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টর আছে এবং অনেক ঋণগ্রহীতা সেই ফ্যাক্টরগুলির উপর নজর রাখেন। সেইরকমই একটি ফ্যাক্টর যা ব্যক্তিগত ঋণের সুদের হারের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে, তা হল RBI-এর repo rate।
রেপো রেট কী?
RBI অর্থাৎ Reserve Bank of India যে রেট বা হারে commercial অর্থাৎ বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ প্রদান করে তা repo rate বলে। RBI বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে কিছু জামানত যেমন সরকারি সিকিউরিটি-এর প্রেক্ষিতে লোন দিয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের Monetary Policy Committee বিভিন্ন আর্থিক ইন্ডিকেটর যাচাই করে repo বা repurchase rate নির্ধারণ করে। MPC অর্থাৎ Monetary Policy Committee-তে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নরকে নিয়ে মোট ৬ জন সদস্য থাকেন। মনিটারি পলিসির লক্ষ্যগুলি পূরণের জন্য এই কমিটি রেপো রেট পরিবর্তন করে থাকে।
৭ ফেব্রুয়ারি মনিটারি পলিসি সভায় ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে 6.25% করা হয়েছে।
ব্যক্তিগত লোনের সুদের হারের উপর রেপো রেটের প্রভাব
রেপো রেটের কোনোরকম পরিবর্তন লোনের সুদের হারে প্রভাব ফেলে এবং ব্যক্তিগত ঋণের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি খাটে। যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক repo rate বাড়ায়, তখন ব্যাংকগুলির ক্ষেত্রেও borrowing cost অর্থাৎ ঋণের খরচ বেড়ে যায়। সেই কারণে উচ্চ রেপো রেটের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ব্যাংকগুলিও নিজেদের ঋণগ্রহীতাদের ঋণের উপর সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে borrower অর্থাৎ যাঁরা ঋণ নেন তাঁদের জন্য ঋণ ব্যায়বহুল হয়ে যায় এবং অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়।
কিন্তু RBI যদি রেপো রেট কমিয়ে আনে, তখন ব্যাংকগুলিকে কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলি পরিশোধের পরিমাণ কমে যায় এবং এর ফলে গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও সুদের হার কমে যায়। এর কারণে তাঁরা স্বল্প সুদের হারে ব্যক্তিগত ঋণ নিতে পারেন। অর্থাৎ সহজ কথায় বললে ব্যক্তিগত ঋণ বহু ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে সস্তা হয়। তবে repo rate কতটা পরিবর্তন হলে ব্যক্তিগত ঋণ কতটুকু পরিবর্তন হবে, তা বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করছে, যেমন cost of deposit, ব্যাংকের অপারেটিং খরচ ইত্যাদি।
রেপো রেটের পরিবর্তন ব্যক্তিগত ঋণে প্রভাব ফেলে ঠিকই তবে তা কেবল floating interest rate-এর ক্ষেত্রেই। যদি কোনো ব্যক্তিগত ঋণ fixed বা স্থায়ী রেটে নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে repo rate পরিবর্তন হলেও কোনোরকম পরিবর্তন হবে না সুদের হারে। সেইজন্য নতুন ঋণগ্রহণকারী ব্যক্তি যাঁরা রয়েছেন তাঁদের জন্য রেপো রেটের পরিবর্তন নতুন ঋণগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে যাঁরা ইতিমধ্যে fixed rate of interest-এ ঋণ নিয়েছেন তাদের লোনের সম্পূর্ণ মেয়াদ পূর্ণ হওয়া অবধি একই সুদ দিতে হবে।
Floating rate of interest ঋণগ্রহীতাদের কাছে ব্যয়বহুল হতে পারে যদি ঋণ চলাকালীন সময়ে repo rate বেড়ে যায়। অন্যদিকে repo rate কমে গেলে floating rate কমে আসে।
EMI পেমেন্টের ক্ষেত্রে repo rate-এর প্রভাব:
আপনার প্রতি মাসের EMI পেমেন্ট কত হবে তা নির্ভর করছে পার্সোনাল লোনের সুদের হারের উপর। রেপো রেট কমে গেলে লোনের সুদের হার যদি কমে যায় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই EMI-এর পরিমাণও কমবে। আবার repo rate বেড়ে গেলে EMI-এর পরিমাণও বেড়ে যায় কারণ তখন আপনাকে বেশি পরিমাণে সুদ প্রদান করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে কেবলমাত্র যদি আপনি floating rate-এ ঋণ নিয়ে থাকেন তবেই সুদের হারে প্রভাব পড়বে, fixed rate-এ কোনো প্রভাব পড়বে না।





