Article By – সুনন্দা সেন

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তার কয়লা-চালিত প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আদানির সাথে ২০১৭ সালের মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে পুনরায় আলোচনার আশা করছে বলে জানা গেছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা পাওয়ার এনার্জির জন্য কয়েক মিলিয়ন ডলারের পাওয়া ইতিমধ্যে সরবরাহ করেছে। তবে উভয়পক্ষই বিলের আকার নিয়ে বিতর্ক করছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎমন্ত্রী মুহাম্মদ ফৌজুল কবির খান বলেছেন যে আদানি সরবরাহ ছাড়াই দেশটিতে এমন যথেষ্ট অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ ২৫ বছরের বিদ্যুৎ সরবরাহের চুক্তিটি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করেছে।
তবে এই বিষয়টি সময় ঘটছে, যা বোঝাচ্ছে যে বাংলাদেশ আদানি গ্রুপের উপর আসা ২৬৫ মিলিয়ন ডলারের ঘুষের মার্কিন অভিযোগের লাভ ওঠাতে চাইছে। এছাড়া বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সাথে বাংলাদেশের চুক্তিটির বিষয়েও প্রশ্ন করেছেন। তবে আদানি পাওয়ারের একজন মুখপাত্র বলেছেন যে সমস্ত চুক্তির বাধ্যবাধ্যকতা তাদের দ্বারা বহাল ছিল এবং চুক্তিটি পর্যালোচনা করার বিষয়ে আদানি গ্রুপ কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। কারণ আদানি পাওয়ারের মতে, বাংলাদেশের সাথে পাওয়ার সাপ্লাই চুক্তির কর আরোপের বিষয় আগেই কথা হয়ে গেছিল।
বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড বা BPDB কর্মকর্তা জানিয়েছে, বাংলাদেশ প্রায় ২৮.৬ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য সঞ্চয়ের প্রত্যাশা করছে। তারা জানিয়েছে মে পর্যন্ত আদানি পাওয়ারের ডিসকাউন্টের ফলে ১৩ মিলিয়ন ডলার সঞ্চয় করতে পেরেছে দেশটি, তবে মে মাসের পরে ভারতীয় সংস্থা কোনো ডিসকাউন্ট দেয়নি, যে কারণে বাংলাদেশের অর্থ প্রদানে দেরি হয়েছে। আর তাই আদানি পাওয়ার তা অক্টোবর থেকে পাওয়ার সাপ্লাই অর্ধেক করে দেয়। বর্তমানে আদানি পাওয়া জানিয়েছে যে পেমেন্ট সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা আর কোনও ছাড়ের বিষয় বিবেচনা করবে না।




