Article By – সুনন্দা সেন

বুধবার অর্থাৎ আজ (২৯ জানুয়ারি, ২০২৫) টাটা স্টিল দাবি করেছে যে এটি ভারতের প্রথম ইস্পাত কোম্পানি যারা হাইড্রোজেন পরিবহনের জন্য পাইপ তৈরি করেছে। যা দেশের হাইড্রোজেন মিশনে একটি গুরুত্বপীর্ণ মাইলফলক। টাটা স্টিলের খেলপি (Khopoli) প্ল্যান্টে প্রক্রিয়াজাতকৃত পাইপগুলি তাদের কলিঙ্গনগর প্ল্যান্টে তৈরি ইস্পাত ব্যবহার করে। হাইড্রোজেন পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সফলভাবে পূরণ করেছে। সম্পূর্ণ বিষয়টি কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। হট-বোল্ড স্টিলের নকশা ও উৎপাদন থেকে শুরু করে পাইপ উৎপাদন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সম্পূর্ণরূপে অভ্যন্তরীণভাবে সম্পন্ন হয়েছিল।
২০২৪ সালে টাটা স্টিল প্রথম ভারতীয় ইস্পাত কোম্পানি হয়ে ওঠে, যারা গ্যাসীয় হাইড্রোজেন পরিবহনের জন্য হট-বোল্ড ইস্পাত তৈরি করে। হাইড্রোজেন যোগ্যতা পরীক্ষাগুলি ইতালির RINA-CSM S.P.A-তে পরিচালিত হয়েছিল। যা হাইড্রোজেন সম্পর্কিত পরীক্ষা এবং বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের জন্য একটি শীর্ষ স্থানীয় অনুমোদনকারী সংস্থা। টাটা স্টিলের মার্কেটিং ও সেলনের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রভাত কুমার বলেন, ক্রিটিক্যাল স্টিল গ্রেড তৈরির জন্য প্রযুক্তি উন্নয়নে টাটা স্টিল সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। কুমার আরও বলেন, টাটা স্টিল প্রথম ভারতীয় ইস্পাত কোম্পানি হিসেবে গর্বিত যারা এই চ্যালেঞ্জ সফলভাবে গ্রহণ করেছে এবং এই বিশেষ গ্রেডের স্টিল পাইপের উদীয়মান দেশীয় ও বিশ্বব্যাপী চাহিদা পূরণের জন্য পণ্য সরবরাহ করেছে।
কোম্পানিটি বলেছে যে তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন দল হাইড্রোজেন পরিবহন এবং সংরক্ষণের জন্য ব্যাপকভাবে উদ্ভাবনী এবং টেকসই সমাধান তৈরি করেছে। জাতীয় হাইড্রোজেন মিশন ভারতকে ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে কমপক্ষে ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন (MMT) গ্রিন হাইড্রোজেন বা পরিবেশ বান্ধব উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম করবে। যার ফলে রপ্তানির অতিরিক্ত চাহিদার সাথে বার্ষিক ১০ MMT পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে যার জন্য উৎপাদন এবং পরিবহনে যথেষ্ট বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। হাইড্রোজেন পরিবহনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ইস্পাতের চাহিদা ২০২৬-২৭ সাল থেকে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর আগামী ৫ থেকে ৭ বছর ধরে মোট ৩৫০ কিলোওয়াট ইস্পাতের চাহিদা থাকবে। হাইড্রোজেন পরিবহনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া উপলব্ধ থাকলেও, গণপরিবহনের জন্য ইস্পাত পাইপলাইনগুলি অর্থনৈতিকভাবে আরও কার্যকর বলে মনে করা হয়।




