রফতানির জন্য Bangladesh-র পাখির চোখ ভারতীয় বন্দরগুলি। পণ্য রফতানি করার ক্ষেত্রে খরচ এবং সময় কমিয়ে পূর্ব ভারতে বন্দরগুলিকে ব্যবহার করার দিকেই ঝুঁকছে Bangladesh। তাই নতুন বাণিজ্য সুযোগগুলি অন্বেষণ করতে কলকাতায় এসেছেন bangladesh-র একটি প্রতিনিধিদল। ঢাকা আশা করছে যে ভারতের বন্দর ব্যবহার করে আরও বেশি রফতানি করতে পারবে দক্ষিন এশিয়ার দেশটি।
গত 9 জুলাই 2024 থেকে 12 জুলাই 2024 পর্যন্ত প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এস এম মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রণালয়, বেসরকারি স্টেকহোল্ডার এবং বন্দরগুলির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে 13 সদস্যের প্রতিনিধি দল শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি বন্দর পরিদর্শন করেন। এছাড়াও পূর্ব উপকূল বন্দর যেমন তামিলনাড়ুর চেন্নাই, বিশাখাপত্তনম এবং অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপত্তনম বন্দর পরিদর্শন করেছে এই প্রতিনিধিদল।
ভারতের কৌশলগত অবস্থান এবং অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি বন্দরের মাধ্যমে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির বিষয়টি মূল্যায়ন করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর অত্যন্ত যানজটপূর্ণ। ঢাকা চাইছে ভারতীয় বন্দর ব্যবহার করে, চারটি ভারত-বাংলাদেশ প্রোটোকল রুট ব্যবহার করে জলপথের মাধ্যমে তার বন্দরগুলিতে যানজট কমাতে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দরের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে, ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য ভারতীয় বন্দরগুলি ব্যবহারের সুবিধাগুলি নিয়ে আলোচনা করেছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দরের চেয়ারম্যান রথেন্দ্র রমন, হলদিয়া বন্দরের ডেপুটি চেয়ারম্যান একে মেহরা এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ জলপথ কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
Article By – আস্তিক ঘোষ






