buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
trade

বাজার প্রবেশাধিকার, ডেটা শেয়ারিং ও সোনা আমদানিতে নতুন রূপরেখার ইঙ্গিত! ভারত–আমিরাত বাণিজ্য আলোচনায় ফিরলো গতি

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনায় আজ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেল। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কূটনীতিতে নজরকাড়া এই বৈঠকে দুই দেশ তাদের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র অধীনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গভীর আলোচনা করেছে। মূলত বাজার প্রবেশাধিকার (Market Access), ডেটা শেয়ারিং কাঠামো, এবং সোনা আমদানির কোটার পুনর্বিন্যাস ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বৈঠক ঘিরে নীতি মহলে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে যে এই বিষয়গুলোতে নতুন সমঝোতা হলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বড় এবং গতিশীল রূপ নেবে। বর্তমানে UAE ভারতের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার; ২০২৩–২৪ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ৮৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছিল, এবং নতুন চুক্তিতে তা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর আলোচনায়,

5 2
  • প্রথমত, মার্কেট অ্যাক্সেস নিয়ে আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ভারতীয় প্রস্তুতকারক, বিশেষ করে টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ শিল্প UAE বাজারে আরও বেশি শুল্ক ছাড় ও রপ্তানি সুবিধা পেতে আগ্রহী। অন্যদিকে, UAE তার সেবা খাত, লজিস্টিকস ও বিনিয়োগ পরিষেবার জন্য ভারতীয় বাজারে আরও বেশি সুযোগ চায়।
  • দ্বিতীয়ত, ডেটা শেয়ারিং ব্যবস্থার উন্নত কাঠামো নিয়ে দুই দেশই ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন মডেল তৈরি করতে চাইছে। ডিজিটাল ট্রেড, ফিনটেক, সাইবার সিকিউরিটি ও স্মার্ট গভর্ন্যান্স—এই সব ক্ষেত্রে তথ্য বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নীতি বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বচ্ছ ও নিরাপদ ডেটা শেয়ারিং ব্যবস্থা তৈরি হলে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি নির্ভর বাণিজ্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
  • তৃতীয়ত, সোনা আমদানির কোটা নিয়ে আলোচনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বর্ণ আমদানিকারক দেশ, এবং UAE ভারতের সোনার প্রধান উৎস। সোনার আমদানি কোটা বাড়ানো হলে দেশের গয়না শিল্প, বুলিয়ন বাজার এবং জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি রপ্তানি খাত উল্লেখযোগ্য ভাবে উপকৃত হবে। শিল্প মহলের দাবি, নতুন কোটায় শুল্ক কমানো হলে বাজারে সোনার দাম কিছুটা স্থিতিশীল হবে।

সরকারি সূত্রের মতে, আলোচনার লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ককে আরও গভীর করা এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ভারতের উপস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করা। বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে জিও-পলিটিক্যাল অস্থিরতার সময় ভারত ও UAE-এর এই ধরনের সহযোগিতা উভয় দেশের জন্যই নিরাপদ ও লাভজনক বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading