buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
crude oil

রাশিয়ান তেল আমদানি কমানোর পথে ভারত, ট্রাম্প যুগের ২৫% শুল্ক প্রত্যাহারের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্কে বড়সড় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলছে। মার্কিন প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমলে আরোপ করা ২৫% শুল্ক প্রত্যাহার বা শিথিল করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই ইঙ্গিত এমন এক সময়ে এল, যখন ভারত ধীরে ধীরে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি কমানোর পথে হাঁটছে। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলের মতে, এই দুই ঘটনাই পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সূত্রের দাবি, ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের রাশিয়ান তেলের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমি দেশগুলির নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারত রাশিয়া থেকে ব্যাপক হারে তেল আমদানি বাড়িয়েছিল। 

July 18 New in article ads By Sir

তবে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে ভারতের পক্ষ থেকে রাশিয়ান তেল কেনার পরিমাণ কিছুটা কমানো হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য উৎস থেকে আমদানির দিকে ঝোঁক বাড়ানো হয়েছে। এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক সংকেত হিসেবেই দেখছে মার্কিন প্রশাসন। এই প্রেক্ষাপটেই যুক্তরাষ্ট্র ইঙ্গিত দিয়েছে, ট্রাম্প আমলে ভারতীয় পণ্যের উপর আরোপিত ২৫% শুল্ক বিশেষ করে স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম এবং কিছু শিল্পজাত পণ্যের ক্ষেত্রে—পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। ওই শুল্কের কারণে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা দীর্ঘদিন ধরেই চাপের মুখে ছিলেন এবং দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই শুল্ক প্রত্যাহার বা বড়সড়ভাবে কমানো হয়, তাহলে ভারতীয় রপ্তানি খাত, বিশেষ করে ইস্পাত, অটো কম্পোনেন্ট, টেক্সটাইল ও ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি আসবে। 
একই সঙ্গে এটি ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতের একটি বিস্তৃত বাণিজ্য চুক্তির পথ প্রশস্ত করতে পারে। রাজনৈতিক দিক থেকেও এই পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র একদিকে যেমন ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গভীর করতে চাইছে, অন্যদিকে চীন ও রাশিয়ার প্রভাব মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই জ্বালানি আমদানি থেকে শুরু করে বাণিজ্য শুল্ক—সব ক্ষেত্রেই ভারসাম্যপূর্ণ সমঝোতার দিকে এগোতে চাইছে ওয়াশিংটন। ভারতের পক্ষ থেকেও বার্তা স্পষ্ট। সরকার চাইছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রেখেই আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতে। একই সঙ্গে রপ্তানি বাড়াতে এবং শিল্পক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক বাধা কমানো অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading