Article By – সুনন্দা সেন

নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে ভারতের পাম তেল আমদানি মাসিক ভিত্তিতে ৫১% বাড়বে বলে জানালো শিল্প সংগঠন সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (Solvent Extractors’ Association of India)। ডিসেম্বর মাসে আমদানি তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও, নতুন বছরের শুরুতেই উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফন দেখা গেছে। সংস্থার দ্বারা প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শোধিত ও অপরিশোধিত—উভয় ধরনের পাম তেলের চালানই বেড়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে দামের সামঞ্জস্য এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির ফলে আমদানিকারকরা বড় পরিমাণে ক্রয় করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জানুয়ারিতে আমদানি বৃদ্ধির পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, দেশীয় মজুত কমে যাওয়ায় রিফাইনাররা নতুন করে স্টক বাড়িয়েছেন। দ্বিতীয়ত, সয়াবিন তেল ও সূর্যমুখী তেলের তুলনায় পাম তেলের দাম প্রতিযোগিতামূলক হওয়ায় আমদানিকারকরা পাম তেলের দিকেই বেশি ঝুঁকেছেন।
ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ভোজ্য তেল বা এডিবল অয়েল আমদানিকারক দেশগুলির অন্যতম। দেশের মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রভাব ফেলে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, আমদানি বাড়লেও বৈশ্বিক মূল্য পরিস্থিতি ও রুপির বিনিময় হার ভবিষ্যতে দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি সরকারের আমদানি শুল্ক নীতিতেও পরিবর্তন এলে বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।




