Article By – সুনন্দা সেন

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে IT কোম্পানিগুলির ফলাফল খারাপ ছিল, তবে অন্যদিকে দেশের আমদানির হার ইতিবাচক থাকায় বানিজ্য চিত্র অনুকূল ছিলো বলেই ধরা যায়। এদিকে PTI আজ অর্থাৎ ২৫ আগস্ট জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে দেশের কয়লা আমদানি ১.৫% বেড়ে ৭৬.৪০ মিলিয়ন টনে দাঁড়িয়েছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৫.২৬ মেট্রিক টন বেশি ছিল। যদিও বা সরকার জীবাশ্ম জ্বালানির অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য জোর দিচ্ছে। টাটা স্টিল এবং সেলের যৌথ B2B ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এমজংশন সার্ভিসেস লিমিটেডের তথ্য অনুযায়ী, শুধু জুন মাসে দেশের কয়লা আমদানিও বেড়ে ২৩.৯১ মিলিয়ন টন হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের একই মাসের ২২.৯৭ মেট্রিক টন থেকে বেশি।
এপ্রিল-জুন মাসে দেশের নন-কোকিং কয়লা আমদানি হার ছিল ৪৯.০৮ মেট্রিক টন। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি করা ৪৯.১২ মেট্রিক টনের তুলনায় প্রায় স্থিতিশীল। অন্যদিকে আবার ২০২৫ সালের এপ্রিল-জুন মাসে কোকিং কয়লা আমদানি ছিল ১৬.৩৭ মেট্রিক টন। যা ২০২৪ সালের এপ্রিল-জুন মাসে রেকর্ড করা ১৫.৪৫ মেট্রিক টনের তুলনায় বেশি ছিল। আর কেবল জুন মাসে মোট আমদানির মধ্যে নন-কোকিং কয়লা আমদানি ছিল ১৪.৮৫ মেট্রিক টনের। যা গত বছরের জুন মাসে আমদানি করা ১৪.১৯ মেট্রিক টনের তুলনায় সামান্য হলেও বেশি। এছাড়া কোকিং কয়লা আমদানি পরিমাণ ছিল ৫.৭৮ মেট্রিক টন, যা ২০২৪ সালের জুন মাসে আমদানি করা হয়েছিল ৫.৪৫ মেট্রিক টন।
অবশ্য জুন মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত CIL-এর কয়লা উৎপাদন ৮.৫% কমে ৫৭.৮ মিলিয়ন টনে দাঁড়িয়েছে। যা আগের অর্থবছরের একই মাসে ছিল ৬৩.১ মেট্রিক টন। তবে দেশীয় কয়লা উৎপাদনের ৮০%- এরও বেশি অবদান রাখে এমন কোম্পানিটি কয়লা উৎপাদন হ্রাসের কোনও কারণ জানায়নি। শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, বর্ষা মৌসুমে সাধারণত কয়লা উৎপাদনকে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। যার কারণে খনি থেকে উৎপাদন কম হয়, যার ফলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে প্রেরণের উপর প্রভাব পড়ে। তবে কয়লামন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি আগেই বলেছিলেন যে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দেশে কয়লার কোনও ঘাটতি হবে না, কারণ সরকার বিদ্যুৎ খাত সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের চাহিদা মেটাতে প্রস্তুত।




