Article By – সুনন্দা সেন

ডিলারদের মতে, সয়া তেলের তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নির্ধারণের কারণে পাম তেলের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে উৎসবের আগের মরশুমে ভারতের পাম তেল আমদানি ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। বিশ্বের বৃহত্তম ভেজিটেবল অয়েলের ক্রেতা ভারত, যার উচ্চ পাম তেলের আমদানির ফলে শীর্ষ উৎপাদক ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া তাদের মজুদ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অনুমান করা হচ্ছে, মালয়েশিয়ার পাম তেল ভবিষ্যৎ বা ফিউচার মার্কেটকে সমর্থন করবে। বিশেষ করে ভারতের জন্য সুবিধা হবে। কারণ ভারত মূলত ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া থেকে পাম তেল কেনে।
ডিলারদের হিসাব অনুযায়ী, আগস্ট, ২০২৫- এ পাম তেল আমদানি ১৬% বেড়ে ৯,৯৩,০০০ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। যা ২০২৪ সালের জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ স্তর। অন্যদিকে আগস্ট মাসে সয়া তেল আমদানি মাসিক ভিত্তিতে ২৮% কমে ৩,৫৫,০০০ টনে দাঁড়িয়েছে। যা আবার ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর। তবে সূর্যমুখী তেল আমদানি ২৭% বেড়ে সাত মাসের সর্বোচ্চ ২,৫৫,০০০ টনে দাঁড়িয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে যে আগস্ট মাসে ভারত গত পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ৬,০০০ টন ক্যানোলা তেল আমদানি করেছে। আর পাম তেল এবং সয়া তেল আমদানি ফলে আগস্ট মাসে ভারতের মোট এডিবেল তেলের আমদানি মাসিক ভিত্তিতে ৩.৬% বৃদ্ধি পেয়ে ১.৬ মিলিয়ন টনে পৌঁছেছে।
এডিবেল তেলের ব্যবসায়ী জিজিএন রিসার্চের ব্যবস্থাপনা অংশীদার রাজেশ প্যাটেল বলেন, উৎসবের মরশুমের আগে গত দুই মাস ধরে পরিশোধকরা পাম তেলের ক্রয় বাড়িয়েছে। কারণ এটির দাম সয়া তেলের তুলনায় অনেক সস্তা ছিল। এছাড়া উৎসবের মরশুমে মিষ্টি এবং ভাজা খাবারের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে ভারতে এডিবেল তেলের, বিশেষ করে পাম তেলের চাহিদা সাধারণত বেড়ে যায়। মুম্বাই-ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক বাণিজ্য সংস্থার একজন ডিলার জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরে ভারতের পাম তেল আমদানি ৯০০,০০০ টনের বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যেখানে সয়া তেল আমদানি ৪৫০,০০০ টনের বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




