সম্প্রতিকালে দেশের বিভিন্ন বাজারে বাড়তে থাকা একাধিক পণ্যের উচ্চ দাম মধ্যবিত্তের পকেটে বেশ চাপ ফেলেছে। পিঁয়াজ, আলু, পটল, টমেটো, ডাল থেকে চাল সবকিছুর দাম বর্তমানে উর্ধ্বমুখী। সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামও বেড়েছে। এমন অবস্থায় সাধারণ মানুষের প্রিয় পানীয় tea-র দাম নিয়েও বাড়ছে চিন্তা। ইতিমধ্যেই বেশকিছু ব্র্যান্ডে tea-র দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের পকেটে বাড়ছে অতিরিক্ত চাপ। অর্থাৎ খিদের সাথে তেষ্টা মেটাতেও করতে হবে অতিরিক্ত খরচ। যার দরুণ বাড়ছে দুশ্চিন্তা।
সাধারণ তীব্র তাপপ্রবাহ ও বণ্যার কারণে দেশের চা উৎপাদনের পরিমাণ অনেকটা পরিমানে কমে গিয়েছে। এমণ অবস্থায় চায়ের দাম উচ্চ অবস্থায় থাকার পাশাপাশি দাম বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি ২০ ধরণের কীটনাশক tea চাষে ব্যবহার নিষিদ্ধ করায় চা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। চায়ের দামের বৃদ্ধির বিষয় ভারতের টি বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও অভিজ্ঞ চা চাষি প্রভাত বেজবরুয়া বলেছেন,তীব্র তাপপ্রবাহে চা চাষে বাধা এসেছে। বিশেষ করে মে মাসে অত্যাধিক তাপপ্রবাহে বেশি ক্ষতি হয়েছে চায়ের। পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে আসামে বন্যার পরিস্থিতি চা উৎপাদন হ্রাস করেছে।
বিষয়টি উপর ক্যালকাটা টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি কল্যান সুন্দরম জানিয়েছেন, প্রথমে এপ্রিল মাসে তাপ প্রবাহের কারে ভালো চাহিদা থাকার পরেও উৎপাদন কম হওয়ার চায়ের দামে বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। তারপরে মে মাসে ৩০%- এরও বেশি চা উৎপাদনে হ্রাস পায়। একই কারণে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে চায়ের দাম বেড়ে ২১৭.৫৩ টাকা/কিলোগ্রামে দাঁড়ায়। যা এক বছর আগের তুলায় প্রায় ২০% বেশি। আর জুলাই মাসে বণ্যার কারণে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ভারতীয় চা শীল্প।
Article By – সুনন্দা সেন






