জুন মাসের প্রথম থেকেই বাজারে একাধিক সবজির দাম চড়া। সময়ের সাথে খাদ্যপণ্যের সাথে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের price-ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া খুচরা বাজারে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে আগামী দিনে বাজারে মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবিত্তের পকেটের চাপ আরও বাড়াবে। বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ না আসার কারণে পিঁয়াজ এবং টমেটো সহ একাধিক খাদ্য পণ্যের price-এ বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিলো। তবে এবার বাজারে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে চলেছে পিঁয়াজের দাম।

শুক্রবার ৫ জুলাই,২০২৪ তারিখে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে পিঁয়াজের পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং খুচরা মূল্য ধীরে ধীরে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে আসছে। যে কারণে আশা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই পিঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক হবে। যা মধ্যবিত্তের পকেটে যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল তার থেকে মুক্ত করবে। যেহেতু price নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে খারিফ মরশুমে উৎপাদিত ফসল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর পিঁয়াজ একটি খারিপ শস্য যার উৎপাদন ২০২৪ সালে বৃদ্ধি পাবে বলে জানা যাচ্ছে।
ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিসট্রিবিউশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের খারিপ মরশুমে পিঁয়াজের চাষের পরিমাণ ২৭% এর মত বৃদ্ধি পেতে পারে। অর্থাৎ এর থেকে প্রত্যাশা করা যায় যে উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে। ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক জানিয়েছে, পেঁয়াজ ছাড়াও আলু এবং টমেটোর মত খারিফ ফসলের উৎপাদনের পরিমাণে বিপুল বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাবে বলে সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ দেরিতে বৃষ্টি শুরু হলেও বৃষ্টির পরিমাণ পর্যাপ্ত রয়েছে আপাতত।
কৃষি মন্ত্রকের মূল্যায়ন অনুসারে খারিফ মরশুমে পিঁয়াজ, টমেটো ও আলুর মত প্রধান সবজির রোপণের লক্ষ্যমাত্রা গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। এছাড়া চলতি বছর খারিফ মরশুমে ৩.৬১ লক্ষ হেক্টর জমিতে খারিফ মরশুমে পিঁয়াজ চাষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এই পরিমাণটি গত বছরের তুলনায় তুলনামূলক ভাবে ২৭% বেশি। ফলে উৎপাদন বেশী হবে, যোগান পর্যাপ্ত থাকবে এবং পিঁয়াজের দামও স্বাভাবিক থাকবে। যা মূল্যবৃদ্ধির বাজারে মধ্যবিত্তের মিলবে বড় স্বস্তির খবর।
Article By – সুনন্দা সেন






