Article By – সুনন্দা সেন

সদ্য প্রকাশিত ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুসারে, গতকাল অর্থাৎ সপ্তাহের শেষ (শুক্রবার / ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪) ট্রেডিং ডের সময় ভারতীয় রূপী রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গেছে। ডলারের বিপরীতে আগের দিনের (বৃহস্পতিবার) লেনদেন বন্ধের ৮৫.২৬ স্তরের থেকে গতকাল ৮৫.৫৩ স্তরে লেনদেন বন্ধ করেছে। এটি শেষ নয় রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইন্ট্রাডে ট্রেডিংয়ের সময় অল্প সময়ের জন্য হলেও ডলারের বিপরীতে রূপী ৮৫.৮০ টাকায় বাণিজ্য করেছে। যা শেষ দু বছর সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় দৈনিক পতন। আগামী সোমবার (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪) বছরের শেষ ছুটির কারণে রূপী শান্ত থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
রূপির পতনটি আমদানিকারকদের কাছ থেকে আতঙ্কিত হয়ে ডলার কেনা, মাসের শেষে চাহিদা বৃদ্ধি এবং অ-ডেলিভারেবল ফরওয়ার্ড বা NDFs-এ পরিপক্ক হওয়ার কারণে চালিত হয়েছে। যা শেয়ার বাজারে ভারতীয় রূপীর দর কমানোর পাশাপাশি বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়িয়েছে। ক্রমবর্ধমান চাপের মোকাবেলায় ডলার বিক্রি করে অবশেষে রুপীকে স্থিতিশীল করতে RBI বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া জানা যাচ্ছে যে বৃহত্তর বাজারের পরিবেশ গতকাল প্রতিকূল ছিল। আর ক্রমবর্ধমান US ট্রেজারি বৃদ্ধি, উচ্চতর অপরিশোধিত তেলের দাম এবং ক্রমাগত বিদেশী তহবিল বহিঃপ্রবাহ রুপীর পুনরুদ্ধারকে বাধা প্রদান করেছে।
বিক্রেতাদের থেকে জানা যায় যে RBI ২১ বিলিয়ন ডলারের স্বল্পমেয়াদী ফরোয়ার্ড চুক্তিতে রয়েছে। যার ফলে ডলারের ঘাটতি এবং রুপীর অতিরিক্ত সরবরাহ হয়েছে। একজন ফরেক্স পরামর্শদাতা KN দে, যিনি কর্পোরেটদের মুদ্রার বিষয়ে পরামর্শ দেন তিনি বলেছেন, আগামী বছরের প্রথম সপ্তাহের শেষের দিকে রুপীর ক্রিয়াকলাপ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সাথে সম্ভাব্য ভাবে বিনিময় হার স্থিতিশীল হবে। এছাড়া এই ঘোষণা এবং RBI ডলার বিক্রির আগেই রূপী ৮৫.৮০ স্তরে পৌঁছেছে বলে জানা যায়।




