Article By – সুনন্দা সেন

১৫ এপ্রিল, ২০২৫-এ প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুসারে, ভারতের রপ্তানি ইতিবাচক অবস্থায় ফিরেছে। রপ্তানি মার্চ মাসে ০.৭% বৃদ্ধি পেয়ে ৪১.৯৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যেখানে বাণিজ্য ঘাটতি ২১.৫৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত শেষ তথ্য অনুসারে, এক বছরের ভিত্তিতে দেশের আমদানি মার্চ মাসে ১১.৩% বেড়ে ৬৩.৫১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। সামগ্রিক ভাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি ৪৩৭.৪২ বিলিয়ন ডলারে এবং আমদানি ৬.৬২% বেড়ে ৭২০.২৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যার ফলে বাণিজ্য ঘাটতি ২৮২.৮২ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাণিজ্য ঘাটতি ১৪.০৫ বিলিয়ন ডলারের ছিল। আবার ২০২৪ সালের মার্চে রপ্তানি এবং আমদানির পার্থক্য ছিল ১৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারের। যেখানে ২০২৩-২৪-এ এটি ২৪১.১৪ বিলিয়ন ডলার ছিল। দেশের পণ্য ও পরিষেবা রপ্তানি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেকর্ড ৮২০.৯৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭৭৮.১৩ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২০২৪-২৫ সালে পরিষেবা আমদানি ১৯৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার ছিল। তবে রপ্তানির ক্ষেত্রে তা ৩৪১.০৬ বিলিয়ন ডলারের বিপরীতে ৩৮৩.৫১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর অনুমান করা হচ্ছে ২০২৪-২৫ সালের জন্য।
প্রকাশিত ডাটায় বাণিজ্য সচিব (Commerce Secretary) ‘সুনীল বার্থওয়াল বলেছেন, বৈশ্বিক বিপত্তির মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেছে। প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তির মধ্যে রয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স, ফার্মা, রেডি-মেট গার্মেন্টস, চাল, সুতির সুতো / কাপড়, প্লাস্টিক, কফি, মশলা, চা এবং তামাক। অন্যদিকে গত অর্থবছরে পেট্রোলিয়াম পণ্য, রত্ন ও অলংকার (gems & Jewellery) এবং রাসায়নিক খাতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ছিল। অবশ্য সোনার আমদানি ২০২৩-২৪ সালের ৪৫.৫৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে গত বছরে ৫৮.০১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।




