আগামীকাল অর্থাৎ ১২ জুন খুচরো বাজারে গত মাসের মূল্যবৃদ্ধির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান প্রকাশ করবে সরকার। অবশ্য তার আগেই সংবাদ সংস্থা রায়টার্সর এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যা দেখে গোটা দেশবাসীর মনে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে করা সমীক্ষার পূর্বাভাস জানাচ্ছে, টানা চার মাসে মূল্যবৃদ্ধির হার কম থাকলেও গত মাসে অর্থাৎ মে মাসে খুচরো পণ্যের Inflation-এর হার অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আশঙ্কা রয়েছে। যার জন্য বর্তমানে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে রয়েছে। এমন টা সকলের বড় চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। এই বিষয়টি নিয়ে সরকারের উদ্বেগ স্পষ্ঠ বোঝা যাচ্ছে।

গত ৫জুন – ১০জুন পর্যন্ত ৫০ জন অর্থনীতিবিদের টিম সমীক্ষা করে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে গত মাসে সামান্য হলেও খুচরো Inflation-এর হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আশঙ্কা রয়েছে। আর খুচরো বাজারে মূল্যসূচক হিসাবে খাদ্যপণ্যের দাম অর্ধেক থাকে। তাই বলা হচ্ছে খাদ্যপণ্যের দাম বেশি হলে মূল্যবৃদ্ধি আগের তুলনায় বাড়বে। যা এই বছর প্রথম নয় গত বছর থেকেই খাদ্যপণ্যের Inflation হার সার্বিক খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হারের থেকে বেশি হয়েছে। গত বছর তীব্র গরমের পর বর্ষার কারণে পরিস্থিতি আরও লাগাম ছাড়া হয়। খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকে।

এপ্রিল মাসে মূল্যবৃদ্ধির হার ৪.৮৩% ছিল। যা তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ফল এবং আনাজের ক্ষতির কারণে দাম বেড়ে যাওয়ায় গত মে মাসে বেড়ে ৪.৮৯% হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদ এবং বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতিবিদ অদিতি গুপ্ত বলেছেন, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর ডালের দাম সব থেকে বেশি বাড়বে। যার পরে একাংশ বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন যে মে মাসের মূল্যবৃদ্ধির হার ৫.২০% পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে একদল বলছেন মূল্যবৃদ্ধির হার কমে ৪.৩০% হতে পারে। সেই সুরেই সুর মিলিয়ে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বা RBI- এর গভর্ণর শক্তিকান্ত দাস বলেছেন মূল্য বৃদ্ধির হার ৪% – ৪.২০% মধ্যে থাকবে। আর তা যদি না হয় সুদের হার বদলানো হবে না।
সরকারি প্রকল্পের কোর্স
Article By – সুনন্দা সেন



