Article By – সুনন্দা সেন

নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার কয়েকদিন পরেই ১২ আগস্ট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমস্ত ব্যাংককে ৯টি ঋণ দাতার চেকে অনুমোদন না দেওয়া কথা বলেছে। আর সেই নয়টি ঋণ দাতা ব্যাংকগুলি হল: ন্যাশনাল ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ICB ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। পাশাপাশি জানানো হয়েছে যে, এই নয়টি ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের মানুষ ১ কোটি টাকার বেশি (স্থানীয় মুদ্রায়) তুলতে পারবে না, অবশ্য যার ইতিমধ্যে চেক ইস্যু করেছে তারা আপাতত ইস্যু করা অর্থ পাবেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ- হাসিনা নির্বাসিত হওয়ার পর গভর্ণর আবদুর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করার তিন দিন পর বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য আবদুর রউফ ক্ষমতায় থাকার সময় এই নয়টি ব্যাংক, (যার মধ্যে ৫টি সরিয়া ব্যাংক রয়েছে)- কে সমর্থন করতেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশের এই পিছিয়ে পড়া ব্যাংকগুলিকে নানান ভাবে সাহায্য করত এবং ঋণ প্রদানের মাধ্যমে ব্যাংকগুলিকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। যা তাঁর পদত্যাগের পর বাংলাদেশের নতুন সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড দ্বারা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং নতুন প্রধানমন্ত্রীয় তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই নয়টি ব্যাংকের উপর ২০২২ সালে ভুঁয়ো ঠিকানার বিরুদ্ধে ঋণ অনুমোদনের অভিযোগ ছিল। আর অতিরিক্ত ঋণ প্রদানের কারণে ব্যাংকগুলির অবস্থায় খারাপ হয়ে যায়। যারপর থেকে এই নয়টি ঋণদাতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তার উপর টিকে থেকে কাজ করছিল। নতুন সরকারের মতে এমন অবলম্বন বেশি দিন প্রদান করা সম্ভব নয়। তাই ব্যাংকগুলির বিরুদ্ধে এমন কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি উপায়ও বটে।





