Article By – সুনন্দা সেন

চীন সম্প্রতি ভারতের তিনটি বড় চাল রপ্তানিকারক সংস্থার আমদানি লাইসেন্স স্থগিত বা হোল্ড করেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ভারত ও চীনের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন করে উদ্বেগ জন্ম নিয়েছে। চীনের অভিযোগ, এই সংস্থাগুলি রপ্তানি করা চালে GMO (জেনেটিক্যালি মডিফায়েড অর্গানিজম)-এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ভারতের কাছে বর্তমানে বাণিজ্য দিক থেকে GMO চাল চাষের অনুমতি নেই। ফলে এই অভিযোগ ঘিরেও উঠছে প্রশ্ন, কারণ বাধার সত্ত্বেও কীভাবে এই ধরনের উপাদান পাওয়া যাচ্ছে?
যে তিনটি সংস্থার লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে, তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত এবং দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে চাল রপ্তানি করে আসছে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে তাদের চীনে চাল পাঠানো বন্ধ হয়ে গেল। এদিকে ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। APEDA অর্থাৎ কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ঠ সংস্থাগুলির উপাদান প্রক্রিয়া, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং চালের উৎস সম্পর্কে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রপ্তানি সংস্থার দাবি, তাদের পণ্য রপ্তানির আগে নির্দিষ্ট পরীক্ষগারে বা রিসার্চ সেন্টারের থেকে ‘NON GMO’ সার্টিফিকেট পেয়েছিল।
এই ঘটনার প্রভাব শুধু এই তিনটি সংস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম চাল রপ্তানিকারক দেশ হওয়ায়, এই ধরনের অভিযোগ আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের ভাবমূর্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্য দেশগুলোও ভবিষ্যতে ভারতীয় চালের ওপর আরও কঠোর পরীক্ষা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে বাজারে প্রতিযোগিতার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে, চীনের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই কড়া বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবেও দেখছেন।





Jayanta Kumar Chakraborty
April 19, 2026কোন ৩ টি রপ্তানিকারক সংস্থা তার নাম তো উল্লেখ করুন???