Article By – সুনন্দা সেন

বিশ্ব ব্যবসা ও প্রযুক্তি জগতে ইতিহাস তৈরি করলেন ইলন মাস্ক। রকেট ও স্যাটেলাইট কোম্পানি স্পেসএক্স (SpaceX)-এর রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন ডলারের IPO বা প্রাথমিক পাবলিক অফারের পর মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের গন্ডি অতিক্রম করতে পারে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে এই IPO-তে স্পেসএক্সের মূল্যায়ন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ইতিহাসের বৃহত্তম শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির ঘটনাগুলির মধ্যে অন্যতম।
আর কোম্পানির এই বিপুল মূল্যায়নের ফলে মাস্কের স্পেসএক্সে থাকা বড় অংশীদারিত্বের মূল্য আকাশছোঁয়া হবে। কারণ বর্তমানে মাস্কের সম্পদের বড় অংশই স্পেসএক্স, টেসলা, XAI এবং প্রযুক্তি উদ্যোগে তাঁর মালিকানার ওপর নির্ভরশীল। বিশ্লেষকদের মতে স্পেসএক্সের IPO-ই তাঁকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার মাইলফলককে স্পর্শ করতে সাহায্য করবে। তবে কেবল সাফল্যই নেই, পাশাপাশি বিতর্কও রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্পেসএক্সের বর্তমান মূল্যায়ন অত্যন্ত উচ্চ এবং ভবিষ্যতে কোম্পানির আয় ও মুনাফা সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে কিনা তা এখনও বড় প্রশ্ন।
তবুও বিনিয়োগকারীদের আস্থা স্পষ্ট। স্পেসএক্সের IPO-তে চাহিদা অফারের তুলনায় বহু গুণ বেশি ছিল, যা মহাকাশ প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে মাস্কের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রতি বাজারের আস্থার ইঙ্গিত দেয়। এদিকে আবার জেনে রাখা জরুরি যে বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় মাস্কের পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বীরা অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। ফলে সম্পদের বিচারে তিনি এখন এক নতুন যুগের সূচনা করলেন—যেখানে প্রথমবারের মতো কোনো ব্যক্তির সম্পদ ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা ছুঁয়েছে।




