Article By – সুনন্দা সেন

ভারত-যুক্তরাজ্যের মধ্যে হওয়া CETA (Comprehensive Economic and Trade Agreement)-এর আওতায় আগামী ১৫ বছরে মোট ৩.৭৮ লক্ষ পেট্রোল ও ডিজেল চালিত বা ICF যাত্রীবাহী গাড়ি কম শুল্কে ভারত আমদানি করার অনুমতি পাবে। এই চুক্তি ১৫ জুলাই, ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। বর্তমানে UK থেকে সম্পূর্ণ তৈরি গাড়ির আমদানি শুল্ক প্রায় ১১০% পর্যন্ত। যেখানে নতুন চুক্তির অধীনে নির্ধারিত কোটার মধ্যে এই শুল্ক ধাপে ধাপে কমে ১০% হবে। এটি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রথম বছরে ২০,০০০টি গাড়ি কম শুল্কে আমদানির অনুমতি থাকবে, যা পঞ্চম বছরে বেড়ে ৩৭,০০০-এ পৌঁছাবে। এরপর ধীরে ধীরে সময়ের সাথে ১৫তম বছর থেকে বার্ষিক ১৫,০০০ গাড়িতে স্ট্যাবেল হবে। মোট মিলিয়ে ১৫ বছরে এই সংখ্যা ৩.৭৮ লক্ষ হবে। অন্যদিকে ভারতের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। চুক্তির ষষ্ঠ বছর থেকে ভারতীয় নির্মাতারা যুক্তরাজ্যে ইলেকট্রিক, হইব্রিড ও হাইড্রোজেন চালিত গাড়ি শূণ্য শুল্কে রপ্তানি করতে পারবে নির্দিষ্ট কোটার আওতায়। আর এর কারণে টাটা মোটরস, মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা এবং মারুতি সুজুকির মতো সংস্থাগুলি লাভবান হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে Jaguar Land Rover, MINI এবং Aston Martin-এর মতো ব্রিটিশ প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের গাড়ির দাম কিছুটা কমতে পারে। এর ফলে ভারতীয় ক্রেতাদের কাছে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের গাড়ি তুলনামূলকভাবে আরও সহজলভ্য হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে বিলাসবহুল গাড়ির বাজারে প্রতিযোগিতাও বাড়তে পারে। তবে ভারত সরকার দেশীয় বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৪০ হাজার পাউন্ডের কম দামের ব্রিটিশ ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে কোনো শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়নি।




