Article By – সুনন্দা সেন

২১ জানুয়ারি, ২০২৫-এ কেন্দ্রীয় সরকার ডায়মন্ড ইমপ্রেস্ট অথরাইজেশন স্কিম চালু করেছে বলে ঘোষণা দিয়েছে। যার মধ্যে নির্দিষ্ট সীমা সহ কাটা এবং পালিশ করা হীরার বা ডায়মন্ডের শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপটি রপ্তানিকে উৎসাহিত করবে এবং মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যখন ডায়মন্ড ইন্ডাস্ট্রি রপ্তানিতে তীব্র পতন এবং কর্মসংস্থান হ্রাসের সম্মুখীণ হচ্ছে, আর এটি এমন এক গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে লক্ষ্য হল শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে মোকাবিলা করা। যা ১০% মূল্য সংযোজন সহ রপ্তানি বাধ্যতামূলক করে।
ভারতের হীরা শিল্প বা ডায়মন্ড ইন্ডাস্ট্রি ৭০০০ টিরও বেশি কোম্পানি নিয়ে গঠিত। যারা হীরা কাটা, পালিশ করা এবং রপ্তানি করার মতো বিভিন্ন কাজের সাথে জড়িত। আর এই কোম্পানির বেশির ভাগই সুরাট, গুজরাট, মুম্বাই এবং মহারাষ্ট্র কেন্দ্রীভূত। দেশীয় হীরা শিল্প প্রায় ১৩ লক্ষ শ্রমিককে সরাসরি কর্মসংস্থান প্রদান করে। তার মধ্যে সুরাটেই প্রায় ৮,০০,০০০ শ্রমিক কাজ করে। যা এই শহরকে বিশ্বের বৃহত্তম হীরা কাটা এবং পালিশ করার কেন্দ্র করে তলে। এই ইন্ডাস্ট্রি দেশের অর্থনীতিতে লক্ষ লক্ষ পরোক্ষ কর্মসংস্থানও যোগ করে। এই যেমন ধরুন: লজিস্টিক, পরিবহন, রিটেল এবং হীরার সরঞ্জাম তৈরীর মতো সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে।
১ এপ্রিল, ২০২৫ থেকে ডায়মন্ড ইমপ্রেস্ট অথরাইজেশন স্কিম চালু হলে মূলত হীরা সংগ্রহকারী এবংকারখানায় আধা-সমাপ্ত (Semi finished) হীরা প্রক্রিয়াকরণে নিযুক্ত শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাণিজ্যিক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, এই প্রকল্পটি ভারতীয় হীরা প্রক্রিয়াকরণ ইন্ডাস্ট্রিকে রক্ষা করার জন্য এবং দেশীয় রপ্তানিকারকদের সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য। এছাড়াও স্কিমটি পালিশ করা হীরার রপ্তানিও বৃদ্ধি করবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি প্রকল্পটি হীরা শিল্পের সমগ্র মূল্য শৃঙ্খলে বিশ্বনেতা হিসেবে ভারতের অবস্থান ধরে রাখতে সহায়তা করবে।




